নীলফামারীতে খটেে খাওয়া মানুষরে পুঁজি নযি়ে এনজওি উধাও ৷

ইমানুর রহমান,নীলফামারী প্রতনিধিি | বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৫
নীলফামারীতে খটেে খাওয়া মানুষরে পুঁজি নযি়ে এনজওি উধাও ৷
একটি ভুয়া এনজওির ফাঁদে পড়ে।প্রায় দুই হাজার নারী প্রতারনার শকিার হয়ছে। নীলফামারীর ডোমার উপজলোর ভোগডাবুড়ী ইউনয়িনরে এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করছে।
অভযিোগ উঠছেে রাতরে আধারে দাদন গণবদ্যিা ও বহুমুখী ফাউন্ডশেন নামরে এই ভুয়া এনজওিটি এলাকার সহজ সরল মানুষজন কে ঋণ ও চাকুরী দয়োর নামে ৩১ লাখ টাকা নয়িে পালয়িে যায়। ভুক্তভোগরিা জানায় এলাকার চলিাহাটি বাজার সংলগ্ন বাদল ময়িার বাড়তিে তনি মাস র্পূবে ভাড়া নয়ে দাদন গণবদ্যিা ও বহুমুখী ফাউন্ডশেন। তারা তাদরে
প্রচারনায় এনজওি ব্যুরোর রজেনিং- প,িএফ- এস-৯১৬৩/০৯, স্থাপতি: ২০০৯ইং সাল, প্রধান র্কাযালয়,
পীরগাছা রংপুর ঠকিানা দয়িে এই ফাউন্ডশেন কাজ করছলি। তারা ডোমার উপজলোর দশটি ইউনয়িন ও
র্পাশর্বতী পঞ্চগড় জলোর দবেীগঞ্জ
উপজলোর চলিাহাটি ইউনয়িনরে শুধুমাত্র দুই হাজার নারীদরে সলোই প্রশক্ষিন র্কমসুচী চালু করনে। এ জন্য প্রত্যকেদরে কাছ থকেে প্রশক্ষিন বাবদ এক হাজার ৩শত টাকা হারে আদায় সহ সহজ কস্তিতিে সলোই মশেনি প্রদান করার আশ্বাস দয়িে উক্ত ভুয়া প্রতষ্ঠিানরে ম্যানজেংি ডরিকেটর এস.কে আলম দুই হাজার নারী কাছ থকেে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ও একই সাথে বভিন্নি এলাকা থকেে নয়িোগ কৃত ১০ জন সলোই প্রশক্ষিকদরে ভাল বতেনরে চাকুরীর নামে জামানত হসিবেে ৫০ হাজার টাকা করে ৫লাখ সহ ৩১ লাখ টাকা হাতয়িে নয়ে। এরপর গত ১৩ সপ্টেম্বের থকেে ভুয়া
এনজওিটরি ভাড়া অফসিে কোন র্কমর্কতা বা র্কমচারীদরে দখেতে না পয়েে ওই সব নারীরা প্রতদিনি র্ধনা দয়িে ফরিে যতেে থাক।ে এ অবস্থায় বাড়রি মালকি বাদল ময়িা সোমবার রাতরে আধারে ওই ভুয়া এনজওির সাইড বোড নাময়িে নয়ে। মঙ্গলবার বভিন্নি এলাকার নারীরা এসে
এনজওির সাইনবোড দখেতে না পয়েে
বভিোক্ষে ফটেে পড়নে। এরপর আর খুঁজে পাওয়া যায়না বাড়রি মালকি বাদল ময়িাক।ে
বভিন্নি সুত্র জানায় এই ভুয়া এনজওিটরি প্রধান র্কমর্কতা এসকে আলমরে গ্রামরে বাড়ি রংপুর
জলোর পীরগাছা উপজলোর দাদনগ্রাম।ে র্বতমানে তনিি রংপুর শহররে গুরাতপিাড়া এলাকায় বাড়ি
ভাড়া নয়িে বসবাস করছনে। ৩১ লাখ টাকা নয়িে পালয়িে যাওয়ার পর তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
সলোই মশেনিরে প্রশক্ষিক হসিাবে এলাকার হারুন ময়িা জানান এই প্রতষ্ঠিান বন্ধরে র্পূবে আমাদরেকে মোবাইলরে সমি প্ররর্বিতনরে জন্য নর্দিশে দয়িছেলিনে এনজওিটরি প্রধান
র্কমর্কতা এসকে আলম । তখন আমরা বুঝতে পারনিি যে এই প্রতষ্ঠিানটি ভুয়া। আমরা জামানতরে টাকা দয়িে তনি মাস চাকরী করার পরওে বতেন পাইন।ি প্রতারতি নারীদরে মধ্যে নাসমিা বগেম বলনে আমরা এ ঘটনায় জড়তিদরে গ্রফেতার সহ বচিার চাই।