পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ প্রশাসন নিরব

পঞ্চগড় প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০১৫
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ প্রশাসন নিরব
পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার ২০ নং দেবীডুবা-১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে স্থানীয় লোকজন জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা য়ায়, ওই বিদ্যালয়ের আঙ্গীনায় বৃহৎ ৭টি অতি প্রাচীন কাঁঠাল গাছ কেটে বিক্রি করার সময় এলাকার লোকজনের তোপের মুখে পড়ে প্রধান শিক্ষক। তিনি জনতার আক্রোশ থেকে নিজে এড়িয়ে গিয়ে বলেন যার জমি সেই গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগে আরো জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গভনিং বডির সভাপতি সিরাজুল ইসলামের যোগসাজসে দিন দুপুরে লোক লাগিয়ে অনেক গাছ কেটে সাবার করে দিয়েছে। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের কাছে গাছ কাটার কাগজপত্র বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতির কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। উপরোন্ত দম্ভের সাথে তিনি জানান, গাছ কাটার বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানিয়েছি। এর থেকে বেশি কিছু জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এহেন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকারবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সকল রাস্তা বন্ধ করে দেয়। তারা জানায়, জেলার উচ্চ মহলে লিখিত অভিযোগ করার পরও কোন সুরাহা না হওয়ায় তারা এর প্রতিবাদে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিতে ঘটনাটি জানার পর দেবীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউল ফেরদৌস ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাসনাৎ জামান চৌধুরী  জর্জের মধ্যস্ততায় এলাকাবাসী রাস্তা খুলে দেয়।  বিষয়টি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুনা লায়লার সাখে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের গাছ কাটার বিষযে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বহিী অফিসারসহ বিভিন্ন দফতরে অনুলিপি দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও আজোও কোন তদন্ত হয়নি। ফলে প্রধান শিক্ষকসহ স্বার্থন্বেষী মহলটি অবাধে সরকারী গাছ কাটায় মেতে উঠেছে। একাধিক সুত্র দাবি করেছে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে বে-আইনীভাবে গাছ কর্তন। বিষয়টি নিরসন না হওয়ায় বর্তমানে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।