ঝালকাঠি বিএনপির ভাগ্যবান নেতা তারা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি | বুধবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৫
ঝালকাঠি বিএনপির ভাগ্যবান নেতা তারা

দলীয় গুরুত্বপূর্ন পদটি আছে দখলে, মনোনয়ন দৌড়েও রয়েছেন এগিয়ে অথচ মামলা হামলা জেল জুলুম কোনটাই স্পর্শ করেনি তাদের। এরাই হলেন ঝালকাঠি বিএনপির ভাগ্যবান নেতা। এই তালিকার প্রথমেই ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ব্যরিষ্টার শাহজাহান ওমর। সম্প্রতি তিনি

সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে এখনও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদে আসীন রয়েছেন তিনি। বর্তমান সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির এই গুরুত্বপূর্ন নেতাকে একবারের জন্যও জেলে যেতে হয়নি। বিভিন্ন মামলার আসামী হয়ে বার বার আদালতে হাজিরা দেয়ার মানসিক হয়রানী থেকেও তিনি ছিলেন মুক্ত। শাহজাহান ওমরের পরে যিনি সভাপতি হয়েছেন সেই মোস্তফা কামাল মন্টুর নামেও কোন মামলা হয়নি

আন্দোলন সংগ্রামে। তবে জেলা বিএনপির সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরের নামে কমপক্ষে অর্ধডজন মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলায় জেলে থেকে এখন তিনি জামিনে রয়েছেন। ভাগ্যবান নেতার তালিকায় আরো রয়েছেন জেলার মনোনয়ন প্রত্যাশিরাও। এদের মধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য জেবা আহমেদ ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্ট্রোর নামে কোন মামলা

নেই। আন্দোলন কর্মসূচী শুরু হবার পরেই এই দুই নেত্রী একরকম গা ঢাকা দিয়েছেন। এই আসনের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশি ও জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মিঞা আহমেদ কিবরিয়াও একজন ভাগ্যবান নেতা। আন্দোলন সংগ্রামে এলাকায় না আসলেও তার নামে একটি গাড়ী পোড়ানোর মামলা

দেয়া হয়। সেই মামলায় কয়েকদিন জেলে থেকে তিনি আবার জামিনে মুক্ত হন। তবে কিবরিয়ার নামে মামলা হওয়া ও তার জেলে যাওয়াকে  রহস্যজনক বলে মনে করেন দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য ও ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশি মাহবুবুল হক নান্নুর বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতে কোন মামলা না হলেও ঢাকায় তার নামে একাধিক মামলা হয় এবং বেশ কয়েকবার তিনি কারাবরন করেন। অন্যদিকে ঝালকাঠি-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশি ও জেলা বিএনপির সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার একেএম রেজাউল

করিমের নামে এলাকায় কোন মামলা না হলেও যুক্তরাজ্যে দলীয় কর্মসূচী পালনে তিনি সবসময় সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া এলাকার নেতা কর্মীদেরও তিনি খোজখবর রাখছেন। সম্প্রতি ঝালকাঠিতে মনোনয়ন প্রত্যশিদের মধ্যে শুধুমাত্র রেজাউল করিমই ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব

ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলার সর্বত্র ব্যপক পোষ্টারিং করেন। ঝালকাঠি-১ আসনের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশি রফিকুল ইসলাম জামাল আন্দোলন কর্মসূচী শুরু হবার পরে আর এলাকায় আসেননি। তার বিরুদ্ধেও কোন মামলা হয়নি। বর্তমানে এলাকার নেতা কর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।