বাংলার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | শুক্রবার, জানুয়ারী ৮, ২০১৬
 বাংলার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী


 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার জীবনের একমাত্র কামনা বাংলার মানুষ খাদ্য পাবে, উন্নত জীবন পাবে। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছি, এই বাংলার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই- এর চেয়ে কিছু চাওয়ার নেই।

তিনি বলেন, সোনার মাটি আমাদের। উন্নয়ন হবেই। আমি কাজ করে যাচ্ছি- যেন মরলেও অন্তত বাবাকে বলতে পারবো- কিছু করে এসেছি। আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পদ্মাসেতু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালে পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হলে এরপর দক্ষিণ অঞ্চলের উন্নয়ন আর থেমে থাকবে না। সদ্য স্বাধীন দেশ গড়ায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ তিনি আরও বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নির্মাণের সব কিছুই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে করে যান।

শুধু দেশ স্বাধীন নয়, তার মতো নেতা ছিলেন বলেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশ গড়তে পেরেছিলেন। বিভিন্ন কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে তাকে হত্যা করা হলো।
এর আগে আজ সকাল সোয়া ১০টায় তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এর পর সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন তিনি। সেখান মিলাদ মাহফিল, জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্ন বিরতি করেন। এরপর বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) প্রতিনিধি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সফল করতে দলীয় কার্যালয়ে সভা করেছেন।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম এমরান হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে নিবিঘ্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাবলয় সৃষ্টি করা হয়েছে। জেলা সদর ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।