ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিকে নির্যাতন, সেই মেহেদী গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, মার্চ ২৯, ২০১৬
ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিকে নির্যাতন, সেই মেহেদী গ্রেপ্তার
 ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সহপাঠীকে মারপিটের ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ভুক্তভোগীর অভিযোগ আমলে নিয়ে মেহেদী হাসান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নির্যাতনের শিকার শামীমের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি মেহেদী হাসানকে ঢাকায় আটকের পর পুলিশ সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও থানায় নিয়ে আসে।

এর আগে শনিবার রাতে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিটের নির্যাতনের শিকার ছাত্র শামীম সরকার বাদী হয়ে সহপাঠী মেহেদী হাসান, শশি জিৎ রায়, মেজ বাউল হাসান দুর্জয়, আবুল কালাম আজাদ, মাজহারুল ইসলাম, আবু হানিফা, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, আব্দুল জলিলকে আসামী করে ঠাকুরগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালে ২৯ নভেম্বর সকাল ১১টায় সহপাঠী মেহেদী ও শশী জিৎ জরুরি কথা আছে বলে কলেজের নিচতলার ড্রয়িং রুমে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর সেখানে থাকা অন্য সহপাঠীরা কাঠ ও ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে তারা তাকে হত্যারও হুমকি দেয়। তাদের অমানবিক নির্যাতনে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় শামীমকে দলীয় ক্রীড়া সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় মেহেদী। এরপর তাকে ছেড়ে দেয়া হলেও প্রাণনাশের হুমকির মুখে শামীম বিষয়টি চেপে যায়।

অবশেষে গত ২৪ মার্চ শামীমকে নির্যাতনের ভিডিও ইউটিউব ও ফেসবুকে আপলোড করা হলে পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়।

নির্যাতনের শিকার শামীমের বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ফুড প্রসেসিং বিষয়ে লেখাপড়াকালে এ ঘটনা ঘটে।

ঠাকুরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসি মশিউর রহমান জানান, মেহেদী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।