একাত্তরের বিধ্বংসী শেল ধ্বংস করল সেনাবাহিনী

আখাউড়া প্রতিনিধি | শুক্রবার, এপ্রিল ৮, ২০১৬

একাত্তরের বিধ্বংসী শেল ধ্বংস করল সেনাবাহিনী

আখাউড়া উপজেলার কুড়িপাইকা সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ১৯৭১ সালের পাক বাহিনীর ফেলে যাওয়া একটি অবিস্ফোরিত শক্তিশালী শেল ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী। এরকম একটি শেল প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।  

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের একটি বোমা বিশেষজ্ঞ দল আর্টিলারি শেলটি (বোম) বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে। এ সময় বোমা বিস্ফোরণের দৃশ্যটি দেখার জন্য এলাকায় হাজারো উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

স্থানীয় বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০মার্চ আখাউড়া সীমান্তের ২০২২-৪/৫এস পিলার এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরে পুকুর খনন করার সময় মাটি কাটার শ্রমিকরা আর্টিলারি শেলটি দেখতে পেয়ে জমির মালিক জসিম উদ্দিন জানায়।

বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডারকে জানালে ফকিরমুড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ক্যাম্প কমান্ডার সানোয়ার আর্টিলারি শেলটি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেন।

বিজিবি হেফাজতে ২৭দিন থাকার পর বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে মেজর মিশকাত বেগমের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি বোমা নিষ্কৃয়কারী বিশেষজ্ঞ দল আস

দুপুর ৩টার দিকে আখাউড়া-আগরতলা সড়কের পাশে হেলিপেড মাঠ এলাকায় আর্টিলারি শেলটি মাটিতে গর্ত খুঁড়ে ধ্বংস করে।
এ সময় বোমাটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জায়গাটিতে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। আশপাশের বিশাল এলাকা জুড়ে ধানের জমি ও গাছের ডাল-পালা ভেঙ্গে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে বোমা বিস্ফোরক দলের প্রধান মেজর মিশকাত বেগম বলেন, শেলটি অনেক পুরাতন। এ ধরণের আর্টিলারি শেল আশপাশের দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা রাখে। তবে এসব বোমা পাওয়া গেলে মানুষের নাগালের বাইরে রেখে দ্রুত সময়ে স্থানীয় প্রশাসনকে অবিহিত করতে হবে।