শরীয়তপুরে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৫০

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | বুধবার, জুন ৮, ২০১৬
শরীয়তপুরে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৫০
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সহিংসতায় ডামুড্যা ও  ভেদরগঞ্জ  উপজেলার ধানকাঠি, দক্ষিন তারাবুনিয়া, শিধলকুড়া, কনেশ্বর, সিড্যা, আরশি নগর ও নারায়নপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। শনিবার রাত থেকে  মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ডামুড্যা উপজেলার বাহেরচর, কালুরগাঁ, পশ্চিম ছাতিয়ানী, কুতুবপুর, পূর্বকুতুবপুর, কানাইকাঠি এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার কিরণ নগর, দর্জিকান্দি, মাঝিকান্দি, সরদার কান্দি, মালপাড়া, আমিন পাড়া, মঠেরহাট গ্রামের লোকজনদের মধ্যে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষনিক ভাবে সংঘর্ষে পশ্চিম ছাতিয়ানী, কিরন নগর, বাহেরচর ও দর্জিকান্দি গ্রামের আল মাদানী, ওমর সরদার, দেলোয়ার সরদার, ইদ্রিস সরদার, আবু তাহের সরদার, আকবর সরদার, মনির সরদার, আজিজুল সরদার, মিজান সরদার, খালেক সরদার, মালেক সরদার, সুজন সরদার, হৃদয় সরদার, আদর সরদার, শান্ত সরদার, খোকন সরদার, রেহান উদ্দিন মাঝি, সুমন মাঝি, সিরাজ হাওলাদার, আয়সা বেগম, ইকবাল সরদার, নুর মোহাম্মদ শেখ, কাদের শেখ, জয়নাল শেখ, খাদিজা বেগম, বিল্লাল বেপারী ও শিশু তানহা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, ডামুড্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভেদরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনের পরবর্তী সংঘর্ষে গ্রামে গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত থেকে  সহিংসতায় ডামুড্যা ও  ভেদরগঞ্জ  উপজেলার নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী ও হেরে যাওয়া প্রার্থীদের লোকজনদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকান-পাটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ব্যাপারে ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও সখিপুর থানায় একাধিক মামলা হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নের দর্জি কান্দি গ্রামে নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী মোতালেব মাল ও হেরে যাওয়া প্রার্থী আক্কাস আলী বেপারী লোকজনদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে  আক্কাস আলী বেপারীর নেতৃত্বে হেরে যাওয়া  প্রার্থী (ফুটবল মার্কা) তার সমর্থক ১শ থেকে ১৫০ জন লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়ী প্রার্থী (মোড়গ মার্কা)’র সমর্থকের বাড়ি-ঘর ভঙচুর করে স্বর্ণালকার, নগত টাকা নিয়ে যায়।
অন্যদিকে ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের বাহের চর গ্রামে ডামুড্যা উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও ধানকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি খলিলুর রহমানসহ সায়মন প্রিন্স শান্ত, সেলিম মুন্সি, সিরাজ হাওলাদার ও মোতালেব হাওলাদারের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে ।
শরীয়তপুরে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৫০
শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সহিংসতায় ডামুড্যা ও  ভেদরগঞ্জ  উপজেলার ধানকাঠি, দক্ষিন তারাবুনিয়া, শিধলকুড়া, কনেশ্বর, সিড্যা, আরশি নগর ও নারায়নপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। শনিবার রাত থেকে  মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ডামুড্যা উপজেলার বাহেরচর, কালুরগাঁ, পশ্চিম ছাতিয়ানী, কুতুবপুর, পূর্বকুতুবপুর, কানাইকাঠি এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার কিরণ নগর, দর্জিকান্দি, মাঝিকান্দি, সরদার কান্দি, মালপাড়া, আমিন পাড়া, মঠেরহাট গ্রামের লোকজনদের মধ্যে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষনিক ভাবে সংঘর্ষে পশ্চিম ছাতিয়ানী, কিরন নগর, বাহেরচর ও দর্জিকান্দি গ্রামের আল মাদানী, ওমর সরদার, দেলোয়ার সরদার, ইদ্রিস সরদার, আবু তাহের সরদার, আকবর সরদার, মনির সরদার, আজিজুল সরদার, মিজান সরদার, খালেক সরদার, মালেক সরদার, সুজন সরদার, হৃদয় সরদার, আদর সরদার, শান্ত সরদার, খোকন সরদার, রেহান উদ্দিন মাঝি, সুমন মাঝি, সিরাজ হাওলাদার, আয়সা বেগম, ইকবাল সরদার, নুর মোহাম্মদ শেখ, কাদের শেখ, জয়নাল শেখ, খাদিজা বেগম, বিল্লাল বেপারী ও শিশু তানহা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, ডামুড্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভেদরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনের পরবর্তী সংঘর্ষে গ্রামে গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত থেকে  সহিংসতায় ডামুড্যা ও  ভেদরগঞ্জ  উপজেলার নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী ও হেরে যাওয়া প্রার্থীদের লোকজনদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকান-পাটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ব্যাপারে ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও সখিপুর থানায় একাধিক মামলা হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নের দর্জি কান্দি গ্রামে নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী মোতালেব মাল ও হেরে যাওয়া প্রার্থী আক্কাস আলী বেপারী লোকজনদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে  আক্কাস আলী বেপারীর নেতৃত্বে হেরে যাওয়া  প্রার্থী (ফুটবল মার্কা) তার সমর্থক ১শ থেকে ১৫০ জন লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়ী প্রার্থী (মোড়গ মার্কা)’র সমর্থকের বাড়ি-ঘর ভঙচুর করে স্বর্ণালকার, নগত টাকা নিয়ে যায়।
অন্যদিকে ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের বাহের চর গ্রামে ডামুড্যা উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও ধানকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি খলিলুর রহমানসহ সায়মন প্রিন্স শান্ত, সেলিম মুন্সি, সিরাজ হাওলাদার ও মোতালেব হাওলাদারের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে ।