সীমান্তে আটক ১৫ শিক্ষার্থী ‘ঘুরতে গিয়েছিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক, | শুক্রবার, আগস্ট ৫, ২০১৬
সীমান্তে আটক ১৫ শিক্ষার্থী ‘ঘুরতে গিয়েছিল’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে আটক ১৫ শিক্ষার্থী ওই এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের এই কথায় আস্থা রাখতে পারছে না। এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে তাদের।

গত সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর সীমান্তে নয় শিক্ষার্থীকে আটক করে বিজিবি। এদের মধ্যে সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির নয়জন, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) একজন, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির একজন, শ্যামলী পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটের একজন, নর্দান ইউনিভার্সিটির একজন, উত্তরা ইউনিভার্সিটির একজন, ব্রাহ্মণাবড়িয়া সরকারি কলেজের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। রাতেই তাদেরকে বিজয়নগর থানায় সোপর্দ করা হয়।

ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আরশাদ ঢাকাটাইমসকে জানান, ‘আটকরা ঘুরতে এসেছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী তাদের নামপরিচয় যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।’

এই ১৫ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। বলেন গণমাধ্যমে সংবাদ দেখে কারও কারও পরিবার এই তরুণদের বিষয়ে খোঁজ নিতে থানায় যোগাযোগ করেছেন। বাকিদের পরিবারে বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশ।

গত জুলাইয়ে গুলশানের হলি আর্টিজান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকয়িায় জঙ্গি হামলার পর বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা এবং সীমান্ত পারি দিয়ে বিদেশে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য আছে।

এ জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আটক যুবকদেরকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছে পুলিশ। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন,  ‘তাদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

এই শিক্ষার্থীদের আটক করার পর ১২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ আলী বলেছিলেন, তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়ে বিয়ার পান করতে বিজয়নগরে এসেছে বলে জানিয়েছে। জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না তদন্ত করতে তাদের বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।