কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌ-রুটে এখনোও ডাম্ব ফেরি চলাচল বন্ধ ॥ ৩৬ ঘন্টা পর লঞ্চ-স্পিডবোট চলাচল শুরু ॥ যানবাহনের দীর্ঘ লাইন

মাদারীপুর প্রতিনিধি, | শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০১৬
কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌ-রুটে এখনোও ডাম্ব ফেরি চলাচল বন্ধ ॥
৩৬ ঘন্টা পর লঞ্চ-স্পিডবোট চলাচল শুরু ॥ যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
বৈরী আবহাওয়ায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচরের কাওড়াকান্দি নৌরুটে এখনো ডাম্ব ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধু  ৪টি রোরো ফেরিসহ ৯ টি ফেরি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এরুটে চলাচল করছে।
অপরদিকে প্রায় ৩৬ ঘন্টা পর বৃস্পতিবার দুপুর থেকে পদ্মা নদী উত্তাল থাকলেও লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। কাওড়াকান্দি ঘাট ভেঙ্গে যাওয়া স্পিডবোট পল্টুন মেরামত করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখনো ২ নং সর্তক সংকেত রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বৈরী আবহাওয়ায় এ রুটরে পদ্মা নদীতে ২নং সতর্ক সংকেত দেখানো হয়। নদী  উত্তাল হয়ে উঠায় ঐ দিন রাত থেকে এ রুটের ফেরিগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ সময় ফেরিগুলো কাওড়াকান্দি ও শিমুলিয়া পাড়ে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল এরুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরি মধ্যে মাত্র ৯ টি ফেরি দিয়ে চলছে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার।
অপরদিকে বুধবার সকাল থেকে দুই শতাধিক স্পিডবোট এবং ৮৭টি লঞ্চ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফেরি ধাক্কায় মধ্য রাতে ভেঙ্গে যায় কাওড়াকান্দির স্পিডবোট পল্টুন। সেটি বৃহস্পতিবার মেরামত করা হয়েছে।
কাওড়াকান্দি ঘাটে আটককে দুর্ভোগের স্বীকার যাত্রীরা বলেন, কয়েক হাজার যাত্রী কাওড়াকান্দি ঘাটে আটকে আছে। নদী উত্তাল থাকায় অনেক যাত্রী লঞ্চ ও স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিতে ভয় পাচ্ছে। তাই চরম আকার ধারণ করেছে। যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে গাড়ির পরিবর্তে ফেরিতে যাত্রী পাড় করার দাবি জানান তারা।
এ রুটের ফেরি চালকরা জানায়, নাব্যতা সংকটে কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া রুটে অচলাবস্থা প্রকট রুপ নিয়েছে। পদ্মা কিছুটা উত্তাল থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোট অনেক যাত্রীরা এখনও ফেরিতে পারপার হচ্ছে। তাই ফেরিতে যানবাহন পারাপারের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে। ঘাটে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বিআউডব্লিউটিসি কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের  ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম মিয়া বলেন, পাটুরিয়া রুটের সংকটের কারণে এ ঘাটে বাড়তি চাপ বেড়ে গেছে। নৌ যানবাহন চলাচলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাই কাওড়াকান্দি রুটের উভয় ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়েছে। এতে যাত্রী দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
ছবিসহ
কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌ-রুটে এখনোও ডাম্ব ফেরি চলাচল বন্ধ ॥
৩৬ ঘন্টা পর লঞ্চ-স্পিডবোট চলাচল শুরু ॥ যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
মাদারীপুর প্রতিনিধি ॥

বৈরী আবহাওয়ায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচরের কাওড়াকান্দি নৌরুটে এখনো ডাম্ব ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধু  ৪টি রোরো ফেরিসহ ৯ টি ফেরি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এরুটে চলাচল করছে।
অপরদিকে প্রায় ৩৬ ঘন্টা পর বৃস্পতিবার দুপুর থেকে পদ্মা নদী উত্তাল থাকলেও লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। কাওড়াকান্দি ঘাট ভেঙ্গে যাওয়া স্পিডবোট পল্টুন মেরামত করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখনো ২ নং সর্তক সংকেত রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বৈরী আবহাওয়ায় এ রুটরে পদ্মা নদীতে ২নং সতর্ক সংকেত দেখানো হয়। নদী  উত্তাল হয়ে উঠায় ঐ দিন রাত থেকে এ রুটের ফেরিগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ সময় ফেরিগুলো কাওড়াকান্দি ও শিমুলিয়া পাড়ে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল এরুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরি মধ্যে মাত্র ৯ টি ফেরি দিয়ে চলছে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার।
অপরদিকে বুধবার সকাল থেকে দুই শতাধিক স্পিডবোট এবং ৮৭টি লঞ্চ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফেরি ধাক্কায় মধ্য রাতে ভেঙ্গে যায় কাওড়াকান্দির স্পিডবোট পল্টুন। সেটি বৃহস্পতিবার মেরামত করা হয়েছে।
কাওড়াকান্দি ঘাটে আটককে দুর্ভোগের স্বীকার যাত্রীরা বলেন, কয়েক হাজার যাত্রী কাওড়াকান্দি ঘাটে আটকে আছে। নদী উত্তাল থাকায় অনেক যাত্রী লঞ্চ ও স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিতে ভয় পাচ্ছে। তাই চরম আকার ধারণ করেছে। যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে গাড়ির পরিবর্তে ফেরিতে যাত্রী পাড় করার দাবি জানান তারা।
এ রুটের ফেরি চালকরা জানায়, নাব্যতা সংকটে কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া রুটে অচলাবস্থা প্রকট রুপ নিয়েছে। পদ্মা কিছুটা উত্তাল থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোট অনেক যাত্রীরা এখনও ফেরিতে পারপার হচ্ছে। তাই ফেরিতে যানবাহন পারাপারের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে। ঘাটে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বিআউডব্লিউটিসি কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের  ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম মিয়া বলেন, পাটুরিয়া রুটের সংকটের কারণে এ ঘাটে বাড়তি চাপ বেড়ে গেছে। নৌ যানবাহন চলাচলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাই কাওড়াকান্দি রুটের উভয় ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়েছে। এতে যাত্রী দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।