পিরোজপুর ভান্ডারিয়ায় প্রসাশনের করা নজরে থাকা সত্ত্বেও আইন অম্যান করে।

স্টাফ প্রতিনিধিঃ | রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০১৬
পিরোজপুর ভান্ডারিয়ায় প্রসাশনের করা নজরে থাকা সত্ত্বেও আইন অম্যান করে।
 পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায় চিংগুরিয়া ৩নং ওয়ার্ডে আব্দুল কাশেম হাওলাদারের বসত বাড়ির যোগযোগের ইট সলিং রাস্তা ও বাশের সাকো সন্ত্রাসীরা উপরে ফেলে দেয়। সরজমিনে গিয়ে জানাযায় এমাদুল হক বয়াতী, পিতা আনছার আলী বয়াতী, ওবায়দুল বয়াতী, পিতা আনছার আলী বয়াতী, রুহুল আমিন খান, পিতা হাফেজ খান, হাবিবুর রহমান খান, পিতা আব্দুল মজিদ খান, আবু তালেব বয়াতী, পিতা জজ আলী বয়াতী, সর্ব সাং চিংগুরিয়া, ওয়ার্ড নং- ০৩, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর। এরা ৫ জনে আবুল কাশেম হাওলাদারের বসত বাড়ির প্রবেশকৃত রাস্তা ইট ও বাশের সাকো উপরে ফেলেদেয়। ১৪/০৮/২০১৬ইং আনুমানিক দুপুর ২:০০ টার সময় আবুল কাশেম হাওলাদারের বাড়ীতে গিয়ে ভান্ডারিয়া থানার সৎ  আদর্শবান পুলিশ অফিসার এস.আই জনাব সুজন চাক্রবর্তী। তিনি সন্ত্রাসীদের ডেকে বলেন, বাশের সাকো এ অবস্থায়ই থাকবে। এটা শালিস না হওয়া পর্যন্ত উপরে ফেলা যাবে না। তোমরা বাদী বিবাদী উভয়ে সন্ধ্যার দিকে থানায় আসবে, না আসিলে আমরা থানা কর্তৃপক্ষ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করিব। পূর্বের কাহিনী জানাযায় প্রায় ১০০ বছর আগে এন্দে আলী হাওলাদার সাত বছরের জন্য জমি বিবাদীদের কাছে জমি বন্ধক রাখে। কিন্তু কারন বসত তিনি হজ্জে গিয়েছিলেন। হজ্জে যাওয়া অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করায় বিবাদীরা জমি জবরদখল করিয়া ভোগ দখল করে। জমির পরিচয়ঃ এস এ খতিয়ান নং ৭০৭,৭০৮ যাহার এস.এ. দাগ নং ৬৬৪, ৬৬৫ জে.এল নং ০৫, মৌজা চিংগুরিয়া। এছাড়াও কিছু দিন পূর্বে জের ধরে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন প্রকার আবুল কাশেম ও তার ছেলে মোঃ সজিব হাওলাদারকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন  প্রকারে ভয়, ভীতি, খুন, জখম, মিথ্যা মামলা করিবে বলিয়া হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছে। সজিব হাওলাদার আরও জানায়  ভান্ডারিয়া থানার এস.আই জনাব সুজন চাক্রবর্তী ও সংবাদিকরা যাওয়ার পরে বিবাদীরা একথা বলে যে, পুলিশ ও মিডিয়া তারা কি ভাবে এই জমি ভোগ দখল করিয়া দিবে তাহাদের বাবার জমি। আবুল কাশেম হাওলাদারের ছেলেকে বিভিন্ন প্রকারে জঙ্গি, চোর, ডাকাত ইত্যাদি বলিয়া তাহাকে হয়রানীর প্রচেষ্টা চালায়।