গোয়ালন্দে আওয়ামীলীগ নেতার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন মেয়ের দাবি আমার বাবার কী অপরাধ ?

মোঃ মাহ্ফুজুর রহমান, রাজবাড়ী | মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০১৫
গোয়ালন্দে আওয়ামীলীগ নেতার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন মেয়ের দাবি আমার বাবার কী অপরাধ ?
আমার বাবাকে র‌্যাব ধরে নিয়ে গেছে, আমার বাবা কোথায়, আমি বাবার কাছে যাবো, মা আমাকে বাবার কাছে নিয়ে যাও এমনি সব প্রশ্ন তুলছে গোয়ালন্দ উপজেলা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক বিপ্লবী সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সুজ্জলের মেয়ে সামিয়া ইসলাম সেজতি(৪)। চার বছরের মেয়ের কোনো কথার জবাব দিতে পাচ্ছে না সুজ্জলের স্ত্রী তানিয়া সুলতানা।
 
“সুজ্জল ভাই তোমার রুখবে সাধ্য কার, তুমি তো নিপীড়িত জনতার” এই স্লোগানে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় গত মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শফিকুল ইসলাম সুজ্জলের মুক্তির দাবীতে গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠন সহ এলাকাবাসী  মানববন্ধন করে। সুজ্জলের রাজনৈতিক হয়রানী ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে শফিকুল ইসলাম সুজ্জলের স্ত্রী তানিয়া সুলতানা বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী আমাদের  নিজ বাড়ী থেকে রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে র‌্যাব ঘর থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে শফিকুলের বিছানার নিচে কিছু লুকিয়ে রাখে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব আমাকে ধমক দেয়। এরপর র‌্যাব ঘরের লেপের নিচ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে। তিনি আরো বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের দায় দেখিয়ে আমার স্বামীকে আটক করা হয়েছে। শফিকুল কোনো অস্ত্রবাজ নয়, নয় কোনো সন্ত্রাসী রংবাজ। সে নিশ্চিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। নিজ দলের কোনো নেতার চক্রান্তে তাকে ফাঁসানোর উদ্দ্যোশে র‌্যাবকে ব্যবহার করা হয়েছে। আমার মেয়ের কন্দনের জবাব কী দিবো আমি। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি সঠিক তদন্ত করে এর বিচার করা হোক এবং অনতি বিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

এসময় বক্তব্য রাখেন গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ও পৌর প্যানেল মেয়র আলাউদ্দিন মৃধা, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন দেওয়ান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইউনুছ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্ডল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, কমিশনার নাসির উদ্দিন রনি, কমিশনার ফজলুল হক, জামতলা বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের নেতা গোলাপ দেওয়ান সহ আওয়ামীলীগের নেতাকমীরা উপস্থিত ছিলেন।