স্বামীকে কুপিয়ে মারধর করে পঙ্গু করে দেয়ার ঘটনার বিচার চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি, | শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০১৬
স্বামীকে কুপিয়ে মারধর করে পঙ্গু করে দেয়ার 
ঘটনার বিচার চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
জমি-জমা ও মাছের ঘের সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জেলে ইদ্রিস হাওলাদারকে সন্ত্রাসী মো: শহিদুল হাওলাদার গংরা মারধর করে পঙ্গু করে দেয়ার ঘটনার বিচার চেয়ে তার স্ত্রী মোসা: মালা বেগম শুক্রবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালা বেগম বলেন, আমরা নিতান্ত গরীব ও আসহায় মানুষ আমার স্বামী ইদ্রিস হাওলাদার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলী স্লুইজ খালে বেনতি জাল পেতে মাছ ধরে সংসার চালাত। গত ১৬ অক্টোবর খালে মাছ ধরা নিয়ে বিরোধের জের ধরে একই এলাকার মো: শহিদুল হাওলাদার, আ: কাদের প্যদা, শহিদুল ইসলাম, মো: শাহিন প্যাদাসহ প্রায় ২৫/২৬ সন্ত্রাসী বেড়িবাধের উপর ফেলে হত্যার উদ্দ্যেশে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। এসম তার ডাকচিৎকারে আমার জা মোসা: নুরভানু বেগম ও নাতী মো: রেদোয়ান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে রক্ষার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় তারা ও গুরুতর জখম হয়। ওই দিনই তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে  নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করে। সেখাণে চিকিৎধীন অবস্থায় ইদ্রিস হাওলাদারের আবস্থা শংকা জনক হওয়ায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এঘটনায় ১৭ আক্টোবর আ: কাদের প্যাদাকে প্রধান আসামী করে ৯ জনের নামে মহীপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর ওই সন্ত্রাসী চক্রটি আমার বসত ঘরে গিয়ে ফের হামলা চালায়। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে আমার ঘের থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ওই চক্রটি ধরে নিয়ে যায়। এমনকি প্রকাশ্য দিনের বেলা সন্ত্রাসী চক্রটি বাড়ি থেকে গরু, ছাগল ও হাসঁ-মুরগী ধরে নিয়ে গেছে। এই চক্রটি এতই দাঙ্গা প্রকৃতিক যে এলাকার মানুষ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না। বর্তমানে গোটা পরিবার ওই সন্ত্রাসী চক্রটির ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আছে। এই ঘটনার বিচার চেয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ  কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহীপুর ইউপি সদস্য রানী বেগম, আহত ইদ্রিস এর বোন জরিনা বেগম, পারভীন বেগম প্রমূখ। মহিপুর থানার ওসি এসএম মাকসুদুর রহমান বলেন, মামলার ১নং আসামী বাদে বাকী সকল আসামী আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। তবে তার বাড়ি-ঘর ভাংচুরের ঘটনা তাদের জানানো হয়নি। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।