বরগুনায় তিনদিনব্যাপি শিল্প উদ্যোগতা প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু

বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ | রবিবার, নভেম্বর ৬, ২০১৬
বরগুনায় তিনদিনব্যাপি
শিল্প উদ্যোগতা প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু
বরগুনায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর উদ্যোগে রবিবার সকাল ১০টার সময় বরগুনা চেম্বার অফ কর্মাস ভবনে বরগুনার জেলা প্রশাসক ড. মহা বশিরুল আলম তিনদিনব্যাপি শিল্প উদ্যোগতা প্রশিক্ষণ কোর্স-২০১৬’র উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিনে বঙ্গপসাগরের উপকূলীয় জেলা বরগুনা । দেশের অন্যান্য জেলা থেকে বরগুনা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় গড়ে ওঠেনি কোন শিল্পাঞ্চল । ছোঁয়া লাগেনি আধুনিক মানসম্মত বড় ধরনের কোন প্রতিষ্ঠানের। বরগুনার গৌরিচন্নায় একটি সেনানিবাস ও সোনাকাটায় একটি নৌ বাহিনীর উপকূলীয় ক্যাম্প হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারনে তা অন্যজেলায় স্থান পায়। বিশখালী ও পায়রার মোহনা সংলগ্ন নলবুনিয়া সাগরতীরে জাহাজকাটা শিল্প করার সিদ্ধান্ত প্রক্রীয়াদিন থাকলেও তা অজ্ঞাত কারনে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রচেষ্টা চলছে। বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলার অনেক জেলায় জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন আঞ্চলিক সদর দপ্তর হয়েছে। কিন্তু এর একটি প্রতিষ্ঠানও বরগুনায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অথচ এই জেলা থেকেই বঙ্গবন্দুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী  শেখ হাসিনা বরগুনার আমতলী ও তালতলী আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমরা এভাবেই উক্তি করে বলে ছিলাম ‘সে মোগো মেহম্যান হেরে মোরা ভোট না দিয়া পারি! মোরা ব্যাক্কে হেরে ভোট দিমু,অন্য কেউরে ভোট দিমুনা, নৌকা ভইররা ভোট দিমু’ যে কথা সেই কাজ। আমরা নৌকার মাঝির সাথে ছিলাম আছি থাকব। আমাদের মেহমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমাদের দরখাস্ত আমরা আপনাকে ভূলিনি আপনি আমাদের ভূলে যাবেননা। প্রধান অতিথীর বক্তব্যে বরগুনা জেলা প্রশাসক ড. মহা বশিরুল আলম বলেন, একটি জেলাকে উন্নত করতে হলে ঐ এলাকায় বড় ধরনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিল্পাঞ্চল থাকতে হয়। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকলে জেলার সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। যার ফলে বেকারত্ব কমে আসে। বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে বরগুনা জেলা একটি অবহেলিত ও অনুন্নত জেলা। এ জেলাকে একটি আধুনিক জেলা করার লক্ষে আমরা উপর মহলে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান করার প্রস্তাব দিয়ে আসছি। অনেক প্রতিষ্ঠান করার প্রস্তাব মাননীয় প্রধান মন্ত্রী পাশ করেন। দেখা যায়, যে প্রতিষ্ঠান বরগুনা জেলায় করার জন্য পাশ হয় কিছু দিন পর ঐ প্রতিষ্ঠানটি অন্য আর এক জেলায় স্থানান্তিরিত হয়। যার ফলে বরগুনা এখনও অবহেলিত রয়েছে।