জানাজা শেষে লাশ দাফন সম্মপন্ন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

পিরোজপুর প্রতিনিধি, | বুধবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৬
জানাজা শেষে লাশ দাফন সম্মপন্ন
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে
হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার শিয়ালকাঠী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক আবদুল  ছালাম খানকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ভান্ডারিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড । দুপুরে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে শিক্ষকরা ও সচেতন মহল। ভান্ডারিয়া শহীদ মিনার সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্ত্যব রাখেন  ভান্ডারিয় উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মান্নান বিশ্বাস,  ভিটাবাড়ীয়া মুক্তিযোদ্ধা ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুল কাদের মুন্সী, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সভাপতি শিমুল রেজা ও যুবলীগ নেতা ওয়ালদি হোসেন, কৃষকলীগ নেতা ফারুখ মুন্সী। শিক্ষক নেতা আব্দুর রাজ্জাক,আব্দুল আলীম,ওমর ফারুক,সাইদুর রহমান সুমন,রেজাউল আহসান রাজু প্রমূখ্য। বক্তারা অভিলম্বে হত্যাকাদিরে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী করে। এদিকে বিকেলে পিরোজপুরের  ভান্ডারিয়ায় নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক শিক্ষক আবদুস ছালাম (৬৫) জানাজা নামাজ  নিজ ভান্ডারিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মদ রুহুল কুদ্দুস উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে তাকে ভিটাবাড়ীয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এদিকে  ঝালকাঠী জেলা প্রশাসক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মানিক হার রহমানকে এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। অপরদিকে ঝালকাঠী সির্ভিল সার্জন জানায় তার শরীরে ১১টি আঘাতে চিহ্ন পাওয়া গেছে।
 উল্লেখ্য সোমবার বিকালে ওই মুক্তিযোদ্ধা পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের আমতলা ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন বকুলতলা এলাকায় হামলার শিকার হয়ে আহত হন।  আহত অবস্থায় হামলা কারীরা তাকে উদ্ধার করে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসে। সড়ক দূরর্ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন বলে তারা তাকে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ রেখে যায়। পরে চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়ি নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।