ধসে যাওয়া সেতু পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৬
ধসে যাওয়া সেতু পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেই
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় গত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতু-কালভার্টের স্থানে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ না হওয়ায় যানবাহন পারাপারের ক্ষেত্রে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে এলাকায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য বেচাকেনায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এই এলাকার কৃষকদের।

গত বন্যায় সিংড়িয়ার রতনপুর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানির প্রচণ্ড চাপে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৬টি সেতু ধসে পড়ায় উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। প্রবল পানির চাপে ফুলছড়ি উপজেলা সদর থেকে গুণভরি রাস্তায় পূর্ব ছালুয়া ব্রিজ, উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিংড়িয়া রাস্তায় পশ্চিম ছালুয়া বেইলি ব্রিজ, ওই রাস্তার হঠাৎপাড়া এলাকায় দুটি আরসিসি ব্রিজ, গুণভরি থেকে বাদিয়াখালী রাস্তায় হাজিরহাট ব্রিজ, কালিরবাজার থেকে মাছেরভিটা রাস্তায় দক্ষিণ বুড়াইল ব্রিজ ধসে পড়ে। ফলে ফুলছড়ি উপজেলা সদরের সাথে বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বন্যার পর এলজিইডির পক্ষ থেকে পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত প্রকল্পের আওতায় ধসে যাওয়া ৫টি সেতুর স্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে অস্থায়ী ভিত্তিতে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু বাঁশের সাঁকোগুলোও ইতোমধ্যে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ফলে পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার উপর দিয়ে এখন চলাচল করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী একেএম আখতারুল আহসানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর  স্থানে সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। স্থায়ীভাবে ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ব্রিজগুলো পুনঃনির্মাণ করা হবে।