বিপুল ভোটের ব্যবধানে সমগ্র বরগুনাবাসীর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন গণমানুষের প্রিয় নেতা দেলোয়ার হোসেন

কাজী মামুন:উপকূলীয় প্রতিনিধি: | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬
বিপুল ভোটের ব্যবধানে সমগ্র বরগুনাবাসীর চেয়ারম্যান 
নির্বাচিত হলেন গণমানুষের প্রিয় নেতা দেলোয়ার হোসেন
অনিয়ম, দুর্ণীতি আর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আপোষহীন প্রতিবাদী অবস্থান আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি অবিচল আস্থা, বিশ্বাস আর লেগে থাকার গুনে দেলোয়ার হেসেনের এ জয় বরগুনার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৫৯৪ ভোট পেয়ে  চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী  দেলোয়ার হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্বী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক সাংসদ জাফরুল হাসান ফরহাদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৯ ভোট।

এছাড়া ১ নং (কেওড়াবুনিয়া, আয়লা পাতাকাটা ও বুড়িরচর ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে ২০ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দারুল ইসলাম মাষ্টার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী এনামুল হক শাহিন তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৯ ভোট।

(বরগুনা পৌরসভা, গৌরীচন্না এবং বরগুনা সদর ইউনিয়ন)২নং ওয়ার্ড থেকে অটোরিক্সা প্রতীক নিয়ে ১৩ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ মোজাম্মেল হক তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী রিয়াজুল কবীর টিটু তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ ভোট।

(ঢলুয়া, এমবালিয়াতলী ও নলটোনা ইউনিয়ন) ৩নং ওয়ার্ড থেকে তালা প্রতীক নিয়ে ২৩ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পান্না তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আবুল হোসেন খান টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭ ভোট।

৪ নং (বদরখালী, ফুলঝুড়ি ও সরিষামুড়ি ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ২১ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মুজাহিদুল ইসলাম জাকির তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী গোলাম সরোয়ার কবীর তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ ভোট।

৫নং (বেতাগী পৌরসভা, বিবিচিনি ও বেতাগী সদর ইউনিয়ন) আইনগত জটিলতার কারনে শুধুমাত্র সদস্য পদের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।

৬ নং (হোসনাবাদ, মোকামিয়া, বুড়ামজুদমদার এবং কাজিরাবাদ ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নাহিদ মাহমুদ হোসেন লিটু।

৭ নং (আমতলী পৌরসভা, চাওরা ও আমতলী সদর ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ৩৬ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মনিরুল ইসলাম খান দুলাল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী অ্যাড. মিজান সিকদার নলকূপ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ ভোট।

৮ নং (গুলিশাখালী, কুকুয়া এবং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে তালা প্রতীক নিয়ে ২১ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নাসির উদ্দিন হাওলাদার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মোঃ আমীরুল ইসলাম সুমন টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ ভোট।

৯ নং (হলদিয়া, আরপাঙ্গাসিয়া এবং পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে তালা প্রতীক নিয়ে ২২ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাড. আরিফ উল হাসান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী রেজাউল করীম বাবুল পাটোয়ারী হাতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭ ভোট।

১০ নং  (ছোটবগী, কড়াইবাড়িয়া ও শারিকখালী ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে তালা প্রতীক নিয়ে ২৯ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কালাম সিকদার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জাকির হোসেন চুন্নু হাতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ ভোট।

১১ নং (বড়বগী, নিশানবাড়িয়া, সোনাকাটা ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ২১ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন হুমায়ুন কবীর সুজন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ফজলুল হক জোমাদ্দার তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ ভোট।

১২ নং (পাথরঘাটা পৌরসভা, চরদোয়ানী ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে তালা প্রতীকে ২২ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এম এ খালেক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ছিলেন মোঃ নূরুল আমীন (অটোরিক্সা)। পেয়েছেন ১৭ ভোট।

১৩ নং (কালমেঘা, কাঠালতলী ও নাচনাপাড়া ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ২৩ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ছগির শরীফ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেছার আহমেদ পনু তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭ ভোট।

১৪ নং (কাকচিড়া, রায়হানপুর ও ডৌয়াতলা ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ১৯ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গির হোসেন জোমাদ্দার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী খলিলুর রহমান তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ ভোট।

১৫ নং (বামনা সদর, বুকাবুনিয়া ও রামনা ইউনিয়ন) ওয়ার্ড থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে ১৯ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ জাহাঙ্গির হোসাইন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মোঃ মোশাররফ হোসাইন টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ ভোট।

অন্যদিকে ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭৫ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আসমা আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা মনা হরিণ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৮ ভোট।

৪, ৫ ও ৬ নং নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীক নিয়ে ৮৭ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পারুল বেগম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদা বেগম দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৩ ভোট।

৭, ৮ ও ৯ নং নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৮৮ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন শাহিনুর তালুকদার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী শিউলী বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ ভোট।

১০, ১১ ও ১২ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীক নিয়ে ৫৮ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন দেলোয়ারা হামিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামসুন্নাহার দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২ ভোট।

১৩, ১৪ ও ১৫ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৬৯ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ফৌজিয়া খানম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুবী আক্তার দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫১ ভোট।