মাস্টার্স করেও চাকরি জুটছে না প্রতিবন্ধী বর্ণালীর

স্টাফ রিপোর্টার, | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬
মাস্টার্স করেও চাকরি জুটছে না প্রতিবন্ধী বর্ণালীর
প্রতিবন্ধী হয়েও শত প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে সর্বোচ্চ উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বর্ণালী শীল। উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রামের ধীরেন্দ্র চন্দ্র শীল ও পুষ্প রানীর সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে। দুই ভাই ও ছয় বোনের মাঝে সবার ছোট তিনি। সবাই সংসার নিয়ে ব্যস্ত হলেও তার নেই সংসার। মাস্টার্স পাস করেও ভাগ্যে জুটছে না চাকরি। ইতোমধ্যে  তার পিতা পরলোকগমন করেছেন। এতে বর্ণালীর হতাশা বেড়েই চলছে।

জন্মের একমাস বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে দুটি পা-ই অচল হয়ে যায় বর্ণালী শীলের। কিন্তু অচল হতে দেননি তিনি তার জীবন চলা। সমাজের অন্য শিশুদের মতো চলাচলে সক্ষম না হলেও, অদম্য আগ্রহ আর ইচ্ছা শক্তির ওপর ভর করে তিনি পড়াশোনা করেছেন। অর্জন করেছেন দেশের সর্বোচ্চ মাস্টার্স ডিগ্রি। তারপরও তিনি থেমে যাননি। মাধ্যমিক শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিবন্ধিত হয়েছেন। সম্পন্ন করেছেন ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরিয়ান কোর্স। এতো কিছুর পরও একটি চাকরি জুটেনি এখনো তার ভাগ্যে।

দয়া বা সহানুভূতি নয়, তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতায় ভর করে একটি চাকরি চান। সমাজের কাছে, সরকারের কাছে, রাষ্ট্রের কাছে। জানালেন বর্ণালী শীল।

বর্ণালীর মা পুষ্প রানী বলেন, আমার সকল ছেলেমেয়েই প্রতিষ্ঠিত। ছোট মেয়ে বর্ণালী ছোট থেকেই পড়াশুনার খুব আগ্রহ থাকায় আমরা তাকে কষ্ট করে পড়াশুনা করাই। এত পড়াশুনা করেও আমার মেয়ের কোন চাকরি ব্যবস্থা হয়নি। সরকারে কাছে আমার একটায় দাবি আমার মেয়েকে যদি একটি চাকরি হয়, তাহলে তার একটা গতি হবে।