থার্টি ফার্স্ট নাইট: পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কুয়াকাটা

স্টাফ রিপোর্টার, | শনিবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬
থার্টি ফার্স্ট নাইট: পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কুয়াকাটা
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন বেড়ে গেছে। নতুন ইংরেজি বছরকে বরণ করতে ওখানকার হোটেল-মোটেলগুলো ঘসামাজা, রং ও চুনের কাজ করে ইতোমধ্যে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

পর্যটকদের পদচারণায় রাখাইন মার্কেট, ঝিনুকের দোকান, খাবারঘর, চটপটির দোকানসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কেনাকাটার ধুম লেগেছে।

শুক্রবার দিনভর দূরদুরান্ত থেকে ছুটে আসা ভ্রমণপিপাসুদের উন্মাদনায় পুরো সৈকতে ছিল আনন্দময় পরিবেশ।

এদিকে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে এখানকার হোটেল-মোটেলগুলো আগেভাগেই বুকিং হয়ে গেছে বলে জানা গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে।

কুয়াকাটায় ঘুরে দেখা গেছে, নারিকেল বাগান, ইকোপার্ক, ইলিশপার্ক, জাতীয় উদ্যান, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, সীমা বৌদ্ধ বিহার, সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চল খ্যাত ফাতরার বনাঞ্চল, ফকির হাট, গঙ্গামতি, কাউয়ার চর, লেম্বুর চর, শুটকি পল্লী ও সৈকতের জিরো পয়েন্টে শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতীসহ নানা বয়সী পর্যটকদের পদচারণায় এখন মুখরিত হয়ে উঠেছে।

ঢাকা থেকে ভ্রমনে আসা শিক্ষার্থী বাহাউদ্দিন জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বন্ধুদের নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। কুয়াকাটার সৈকতের অপরূপ দৃশ্য দেখে অসাধারণ লেগেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট সেন্টারের ম্যানেজার আবুল হোসেন রাজু জানান, পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরিফ জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে আগাম বুকিং রয়েছে। এখনো অনেক পর্যটকরা রুমের জন্য যোগাযোগ করছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মীর ফসিউর রহমান জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে আমাদের পুলিশ বিভিন্ন দর্শনীয় স্পটে টহলে রয়েছে।