রৌমারী টু-ঢাকা যাতায়াত রাস্তার কাজে ঠিকাদারীর অনিয়ম দুনীর্তি পুরাতন কার্পেটিং’র পাথর দ্বারা বেড তৈরী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ভূমিকা রহস্য জনক দেখার কেউ নাই

শওকত আলী মন্ডল রৌমারী (কুড়িগ্রাম) | রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৭
রৌমারী টু-ঢাকা যাতায়াত রাস্তার কাজে ঠিকাদারীর অনিয়ম দুনীর্তি পুরাতন কার্পেটিং’র পাথর দ্বারা বেড তৈরী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ভূমিকা রহস্য জনক দেখার কেউ নাই
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে ডিসি রাস্তাটি রৌমারী ও রাজিবপুর এলাকাবাসীর জন্য যেমন ঢাকা যাতায়াত ও পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপুণর্, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা লেখির পর চলতি ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে সরকার মাটির কাজসহ পুরাতন কার্পেটিং তুলে ফেলে টিক সই ও মজবুত করে রাজিবপুরের শেষ মাথা জামালপুরের প্রথম সীমানা থেকে রৌমারীর টালুয়ারচর পর্যন্ত ১৯ কিঃ মিঃ রাস্তাটি পুননির্মানে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। ঠিকাদার রাস্তাটির পুরাতন কার্পেটিং এর পিছ মাখানো ব্যবহার অযোগ্য পাথর গুলি মেশিন দ¦ারা আলগা করে পুনরায় বালা এবং পানি দ্বারা বসিয়ে দিচ্ছেন। যাহা ভবিষ্যতে রাস্তার জন্য ক্ষতিকর। তা ছাড়া রাস্তার দু পাশের পুরাতন ইট গুলি রাস্তায় ব্যবহার করার জন্য রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে খোয়া তৈরী করা হচ্ছে এবং রাস্তায় ফেলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ঠিকাদার আমিনুল ইসলামকে জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী সওজ কুড়িগ্রাম এই ভাবে করতে বলেছেন। তাই পুরাতন পাথর বিছানো হচ্ছে।
বিধি বাম, রাস্তাটি অত্যন্ত  গুরুত্ব এবং অর্থবহ। এই রাস্তাটি রৌমারী এবং রাজিবপুর উপজেলার ঢাকা যাতায়াতের একমাত্র পন্থা এবং উন্নয়নের একটি মাত্র রাস্তা। অপরদিকে রাস্তা টিকসই রাখার জন্য গাইড ওয়ালের ব্যবস্থা রয়েছে পর্যাপ্ত, কিন্তু ঠিকাদারের মনগড়া ভাবে প্রয়োজনীয় জায়গায় না দিয়ে অপরিকল্পিত ভাবে অপ্রয়োজনীয় জায়গায় গাইড ওয়াল গুলি নির্মান করা হচ্ছে। প্রকৌশলী খুরশিদ আলম সওজ কুড়িগ্রামকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে পাওয়া যায়নি। কাজেই রাস্তাটির চলমান কাজের গুনগত মান যাচাই করে একটি টিকসই রাস্তা নির্মানে উর্ধোতন বিভাগীয় প্রকৌশলীদের দৃষ্টি দেয়া আবশ্যক বলে এলাকাবাসী মনে করেন।