একজন মুক্তিযোদ্ধার বর্তমান অবস্থা!

সৌরভ রক্ষিত, স্টাফ রিপোর্টার। | শনিবার, মে ২৭, ২০১৭
একজন মুক্তিযোদ্ধার বর্তমান অবস্থা!

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামের  পঞ্চাইত বাড়ির আর্শ্বাদ আলী গাজীর ছেলে মোঃ শাহ্-আলম আজ মানবতার জীবন-যাপন করছে। সূত্র মতে জান যায়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে মোঃ শাহ্ আলম পাকিস্তান সরকারের সেনাবাহিনীতে নায়েক হিসেবে যোগদান করেন যাহার ব্যাচ নং 539FIU/২০.৬.১৯৬৯ইং তারিখ হতে ডিসেম্বর ১৯৭৭ইং তারিখ পর্যন্ত  কর্মরত ছিলেন। তিনি একজন দেশ প্রেমিক। দেশের গর্বিত সৈনিক ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা।

দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে স্বদেশ ভুমিতে হানাদার বাহিনীরি বিপক্ষে সরাসরি যুদ্ধ মোকাবিলা করেছেন। বাংলাদেশের মানচিত্র অক্ষুর্ন রাখার জন্য দেশের জনগনকে সাহস ও যুদ্ধ করার সাহায্য যোগান দিয়েছেন। ৯নং সেক্টর এর একজন গর্বিত সৈনিক হিসাবে মেজর জলিল ও পরবর্তী জয়নাল আবদীন এর অধিনাস্থ হয়ে খুলনা, মংলা পোটকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করেন এবং গলাচিপা উপজেলার পানপট্রির যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর সাথে একাত্রতা বজায় রেখে গলাচিপা থেকে হানাদার মুক্ত করেন। বর্তমানে দুই ছেলে ও এক মেয়ের পরিবার নিয়ে রতনদী তালতলি ইউনিয়নের  আস্রায়ন প্রকল্পের একটি কক্ষে মানবতার জীবন-যাপন করছে বলে সরজমিনে জানা যায়।

মুক্তিযোদ্ধা শাহ-আলম প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পূর্বে সেনাবাহিনীতে যোগদান করি, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সারা দিয়ে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই। ৯নং সেক্টরের সৈনিক হিসাবে খুলনা মংলা পোর্ট ও পানপট্রি সেন্টারে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে হানাদার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ায় ভুমিকা রাখি। আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি এবং সেনাবাহিনীতে নায়েক হিসাবে ৮ বছর ৬ মাস কর্মরত ছিলাম। বর্তমানে আমি বয়সের ভারে অচল হয়ে রতনদী তালতলি ইউনিয়নের আস্রায়ন প্রকল্পের একটি কক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উপর নির্ভর করে পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে জীবন-যাপন করছি। মুক্তিযোদ্ধার সান্তানদের নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা থাকলেও তা থেকে বঞ্চিত আমার পরিবার। এ লক্ষে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আকুল আবেদন উন্নয়ন মূলক পরিকল্পনায় আমার সন্তান যুক্ত করা হোক।