মৌলভীবাজারের কসটেপ মুড়ানো শিশুর লাশ উদ্ধার অপহরনকারী চাচাসহ আটক-২

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার | সোমবার, জুলাই ৩, ২০১৭
মৌলভীবাজারের কসটেপ মুড়ানো শিশুর লাশ উদ্ধার অপহরনকারী চাচাসহ আটক-২
 মৌলভীবাজারে নিখোঁজের ৫ দিন পর কামরান (৬) শিশুর লাশ কসটেপ মুড়ানো মাটি চাপা অপস্থায়  সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের সাধুহাটি এলাকা থেকে ৩ জুলাই গভীর রাতে উদ্ধার করেছে মডেল থানার পুলিশ। কামরান মনুমুখ ইউনিয়নের সাধুহাটি গ্রামের ওমান প্রবাসী কয়েছ মিয়ার ছেলে। সে পার্শবর্তী সরকারবাজার কিন্ডার গার্টেন স্কুলের নার্সারিতে পড়তো। আল-অমিন ও নিহত শিশু কামরান একই বাড়ীতে বসবাস করতো। পুলিশ বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৃতঃ সাখাওয়াত মিয়ার পুত্র আপন চাচা আল-আমিন (২২) ও ছমির মিয়ার পুত্র জনি মিয়া (১৮)কে দুইজনকে আটক করেছে। রাতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সাধুহাটি গ্রামে ঘাতক চাচা আল-আমিনকে নিয়ে গেলে মাটির নীচে পুতে রাখা স্থানটি দেখায়। এবং ওই স্থান থেকে মাটি খুড়ে কসটেপ মুড়ানো মাটি চাপা অপস্থায়   শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়- গত ২৯ জুন সকালে সাধুহাটি গ্রামের কাতার প্রবাসী কয়েছ মিয়ার ৬ বছরের ছেলে মোঃ কামরান মিয়া, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ীর আশ পাশে খেলাধুলা করছিল। সকাল ৯টা থেকে কামরানের খোঁজ খবর না পাওয়ায়, অপহরণ করা হয়েছে বলে পরিবারের সন্দেহ হয়। কামরানকে অপহরণ করার কিছুক্ষণ পরেই অপহরণকারীরা তার স্বজনদের কাছে মুঠোফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একটি সূত্র জানায়- মোবাইল নাম্বার শনাক্ত করতে গত ৩০ জুন  শুক্রবার দুপুরে ঘোড়াখাল গ্রামে পুলিশ (এন আই ডি) কার্ডধারীর বাড়ীতে এলেও তিনি কিছুই জানেন না বলে পুলিশকে জানিয়ে দেন। (এন আই ডি) কার্ডের ব্যক্তির নাম ঠিকানা সঠিক থাকলেও কার্ডের ছবির সাথে সিম রেজিস্ট্রেশন ফরমের ছবির মিল নেই, এমন কি কার্ডধারী ব্যক্তি খুবই বৃদ্ধ হওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করেনি। এসময় স্হানীয় জনপ্রতিনিধি সহ এলাকার অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন। বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কামরান । নিখোঁজের পর তার পরিবারের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপন হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করে এক ব্যাক্তি। এ ঘটনার ওমান প্রবাসী কয়েছ মিয়ার খালাতো ভাই লিটন মিয়া মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় ১ জুলাই মামলা (নং- ০১, তারিখ ঃ ০১/০৭/২০১৭ইং) দায়ের করেন।