‘হাটের খাজনা ১০০ টাকা হলে সারাবছর ২৫০ টাকায় গরুর মাংস’

| শুক্রবার, আগস্ট ১৮, ২০১৭
‘হাটের খাজনা ১০০ টাকা হলে সারাবছর ২৫০ টাকায় গরুর মাংস’
গরুর হাটে পশুপ্রতি খাজনা নামমাত্র ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হলে সারা বছরই সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন রাজধানীর মাংস ব্যবসায়ীরা। আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন আশ্বাস দেন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম।

তিনি বলেন, পাঁচ-ছয় হাজার টাকা খাজনা দিয়ে গরু কিনে এনে পশুপালনে উন্নয়ন সম্ভব না, অবাস্তব। গাবতলীর গরুর হাটে খাজনা নামমাত্র ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হলে আমরা মাংস ব্যবসায়ীরা আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সর্বোচ্চ আড়াইশো টাকা কেজিতে সারাবছর গরুর মাংস খাওয়াবো।

রবিউল আলম বলেন, হাটের ইজারাদাররা শর্ত মানে না। গাবতলী পশুর হাটে র্যারব ও পুলিশের ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ করলেও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় না। কারণ ইজারাদার ইজারার শর্ত বাস্তবায়ন করছে কিনা তা দেখার ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়া হয়নি। আমাদের দাবি, র্যা ব-পুলিশকে এই ক্ষমতা দেওয়া হোক।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ব্যবসায়ীরা বলেছিলেন, গাবতলী হাটের ইজারাদার, হুন্ডি ব্যবসায়ীরা বেশি টাকা আদায় করছে। দেশের সাধারণ মানুষকে এর মাসুল দিতে হচ্ছে। এ সব সমস্যার সমাধান করলে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৩০০-৩৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৫০০ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব।

তখন রবিউল আলম বলেন, গাবতলী হাটের ইজারাদার, হুন্ডি ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করছে। দেশের সাধারণ মানুষকে এর মাসুল দিতে হচ্ছে। এখন ভোক্তাদের থেকে অতিরিক্ত দাম নিয়ে সেই অর্থ ইজারাদার, হুন্ডি ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, আদালতের আদেশ, সিটি কর্পোরেশনের শর্ত কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদাররা। মাংস ব্যবসায়ীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিচারের নামে চাঁদাবাজি করছে ইজারাদারদের নিযুক্ত বাহিনী। রাত ১২টার আগে হাট থেকে গরু বের হতে দিচ্ছে না তারা।

রবিউল আলম বলেন, এসব সমস্যার সমাধান করলে কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করা সম্ভব হবে।