ফুলবাড়ী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ।

মোঃ হারুন-উর-রশীদ,ফুলাড়ী(দিনাজপুর)থেকে; | বুধবার, জানুয়ারী ৩, ২০১৮
ফুলবাড়ী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনিয়ম/দুর্নীতি‘র অভিযোগে শিক্ষক পরিষদ ও সকল বিভাগের ছাত্র/ছাত্রীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।

গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র/ছাত্রী‘রা ব্যানর,ফেস্টুন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের অনিয়ম-দূর্নীতি‘র প্রতিবাদে তার অপসারনের দাবিতে ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধন করেন। এতে শিক্ষক পরিষদের প্রতিনিধি‘রা শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাতি তৌহিদুজ্জামান রাসেল,সাধরাণ সম্পাদক রাজিউল ইসলাম রাজু,সহ-সভাপতি এএসএম নাসিম মাহমুদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী,হল শাখার সভাপতি আব্দুল মতিন,পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মুশফিকুর রহমান রিয়াদ প্রমূখ।

মানববন্ধনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন,ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের সাথে দূরব্যবহার,ভর্তির সময় অতিরিক্ত ফি আদায়,পরিচয় পত্র প্রদানে গড়িমশি, বার বার তাগিদ দিয়েও মহিলা হোস্টেল ব্যবস্থা না রাখা, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কর্তৃক কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত হলরুম নিজেই ৬টি রুম দখল করে বসবাস করছে,সে কারনে দুর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের থাকার জায়গা সংকট হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধর বিষয়ে তার কোন প্রকার তদরকি নেই,কলেজে ক্লাস নিয়মিত হয় না। সে কারনে আমরা কলেজের সকল ছাত্র/ছাত্রীরা এই অযোগ্য অধ্যক্ষের অপসারন চাই।

মানবন্ধন শেষে  কলেজ শিক্ষক পরিষদের শিক্ষকসহ এক বিক্ষোভ বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ও সহ-সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান বলেন,এই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কলেজের তৃতিয় শ্রেনীর কর্মচারীদের পাশপাশি শিক্ষকদের সাথে অশালিন আচরন ও কথায় কথায় শিক্ষকদের শো-কোজ এবং বেতন কর্তনের হুমকি দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত অন্যায় ভাবে ৪ জন শিক্ষককে শো-কোজ করা হয়েছে। শিক্ষকের সাথে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মনমালিন্নতার করনে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যহত হওয়ায় এবার এইচ,এস,সি পরিক্ষায় ফুলবাড়ী সরকারী কলেজ থেকে একটিও জিপিএ ৫ পায়নি।  কলেজের জায়গা বেদখল,বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম সঠিক ভাবে পরিচালনার অভাবে এই অতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্টান আজ হুমকির মূখে। অনতিবিলম্বে এই অযোগ্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অপসারন করে যোগ্য অধ্যক্ষ দিয়ে প্রতিষ্টানের পূর্বের অবস্থান ফিরিয়ে জন্য স্থানীয় এমপি ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর আশুহস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ,রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি, ‘‘নো কমেন্টস’’ বলে চুপ থাকেন।