যাদুকাটায় হচ্ছে শাহ আরেফিন সেতু

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ | রবিবার, মার্চ ১১, ২০১৮
যাদুকাটায় হচ্ছে শাহ আরেফিন সেতু

বহু প্রত্যাশিত শাহ আরেফিন সেতু নামে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী যাদুকাটা নদীর ওপর দেশের বৃহত্তর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হচ্ছে ১৫ মার্চ। এমন সংবাদে আনন্দিত তাহিরপুর উপজেলাবাসী।

এলজিইডির নির্মাণাধীন ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন।

সেতুটি বাস্থবায়িত হলে এখানকার পর্যটন স্পটগুলোতে আগত পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে। সেই সাথে এলাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ আর্থ-সামাজিক ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মুচিত হবে।

সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে জেলার ১২টি সেতুর মধ্যে ৮টি সেতু গত ১০ জানুয়ারি অনুমোদন হয়। এর মধ্যে যাদুকাটা নদীর উপর শাহ আরেফিন সেতু একটি। এরপর গত বছরের ৪ জুলাই এ সেতুটি ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এ সেতুটি দরপত্র আহবান করা হয়। এছাড়াও সেতুর দু-পাশের সড়ক সংযোগসহ সার্বিক বরাদ্দ প্রায় ১৩২ কোটি টাকা। সেতুটি ডাবল লেনের হবে। এক সাথে বাস-ট্রাক বা অন্য কোন যানবাহন চলাচল করবে।

সেতুটি বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটির ইসকন মন্দির ও বিন্নাকুলী বাজারের দক্ষিণ দিকে বাস্তবায়নে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু হবে।

বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী রাশিদ ভূঁইয়া, সুমন হায়দার, ইউসুফ, এমদাদ, শাহীন, আক্কাছ বেপারী, সোহাগ মিয়া, সাদেক আলীসহ সবাই বলেন, যাদুকাটা নদীতে সেতু নির্মাণ হলে সীমান্ত এলাকাসহ সবাই উপকৃত হবে।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্যই যাদুকাটা নদীর উপর শাহ আরেফিন সেতু নির্মাণের অনুমোদন করেন। সেতুর নির্মান কাজ ১৫ মার্চ উদ্বোধন করা হবে। সেতুটি হলে এই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সার্বিক উন্নয়নের বিপ্লব ঘটবে।