ঝিনাইগাতীতে সড়ক পাকাকরণের অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি | রবিবার, এপ্রিল ২২, ২০১৮
ঝিনাইগাতীতে সড়ক পাকাকরণের অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে
ঝিনাইগাতীতে সড়ক পাকাকরণের অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে
 জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এলেই শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার আহমদনগর-মোহনগঞ্জ সড়কটি পাকাকরণের দাবী জোরদার হয়। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। এলাকাবাসী একাধিকবার আবেদন করলেও সড়কটি পাকাকরণের কোন উদ্যাগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে এ পথে চলাচলকারী প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রাস্তাটি পাকাকরণ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকায় হয় যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপজেলার আহমদনগর থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত কাঁচা সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ কিলোমিটার। এ পথে উপজেলার মাটিয়াপাড়া, সারিকালিনগর, নয়াপাড়া, দারিয়ারপাড়, কান্দুলী, মাঝাপাড়া, কুচনিপাড়া ও মোহনগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলার আরও ৩/৪টি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ চলাচল করে থাকে। কিন্তু সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের অভাবে পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পথে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’ প্রকল্পের ৭৩ লাখ ৯ হাজার ৩৭৭ টাকা ব্যয়ে উপজেলার সদর ও ধানশাইল ইউনিয়নের সীমানায় গজারমারী বিলের উপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই আহমদনগর এলাকা থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটি পাকাকরণের দাবী আরো জোরদার হয়।
    ধানশাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও এ রাস্তাটি পাকাকরণ করা হয়নি। এতে বর্ষা মৌসুমে ওই পথে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। ফলে এ পথে চলাচলকারী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন।
    এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটি পাকাকরণে আমরা প্রাক্কলন তৈরীর কাজ করছি। প্রাক্কলন তৈরী শেষে দরপত্র আহ্বান করা হবে।