ঝিনাইগাতীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি | শুক্রবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৮
ঝিনাইগাতীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের শালচূড়া চৌরাস্তা সড়কে পাহাড়ি ঝোড়ার ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে স্থানীয় স্কুলের শিক্ষার্থীরা। নির্মাণশেষে শুক্রবার বিকেলে সাঁকোটি সকলের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। শালচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হারুন-অর-রশিদের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী এটি নির্মাণে অংশ গ্রহণ করে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শালচূড়া চৌরাস্তা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শ মানুষ যাতায়াত করেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে এ সড়কের ওপর নির্মিত কালভার্টটি বিধস্ত হয়। ফলে এ পথে চলাচলকারীরা দুর্ভোগে পড়েন। এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন সময় আবেদন করলেও কালভার্টটি পুনঃনির্মাণ করা হয়নি।

অবশেষে বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন-অর-রশিদের নজরে আসে। তিনি তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এলাকাবাসীর নিকট থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার দুদিন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করান।
 শালচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. আল আমিন বলে, ‘সেতু না থাকায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে বিদ্যালয়ে যেতো হতো। এখন সহজেই যেতে পারব।
শালচূড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুর ইসলাম বলেন, সেতুটি না থাকায় যাতায়াতের সমস্যা ছিল। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করেছে। এখন এলাকাবাসী সহজেই যাতায়াত করতে পারবে।
    বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন-অর-রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কালভার্টটি বিধ্বস্ত হয়ে থাকায় এলাকাবাসীর চলাচলে কষ্ট হতো। তাই কষ্ট লাঘবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হলো। তবে বিধ্বস্ত কালভার্টটির পরিবর্তে একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানান তিনি।
বার্তা প্রেরক- জাহিদুল হক মনির