মিথ্যা কথা দিয়ে মানুষ হত্যা ও ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করা হচ্ছে

আবু বকর অন্তু,রাবি : | শনিবার, মে ১২, ২০১৮
মিথ্যা কথা  দিয়ে মানুষ হত্যা ও ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করা হচ্ছে

ফেসবুকে মিথ্যা কথা প্রকাশ মানুষ হত্যা করানো হচ্ছে। ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা কি বেচে নেই? এই মিথ্যার বিরুদ্ধে কি প্রতিরোধ করতে পারেন না? মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য, প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা ছিল, সেই কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে কারা? মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা সেই আন্দোলন প্রতিরোধ করতে পারেন না?
শনিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভারত সরকার কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, 'দরকার ছিল দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা না করে রাজাকারদের তালিকা করা। কারণ আজ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করতে গিয়ে কত অমুক্তিযোদ্ধারা নাম চলে আসার কারণে আসল মুক্তিযোদ্ধা কাতারেই আর থাকলো না। কি কষ্ট তারা অনেকেই ভিক্ষা বরে, রিক্সা চালিয়ে জীবনযাপন করতে দেখেছি।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী ২ আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধের সময় বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাত কোটি তখন ভারতে আমরা আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় এক কোটি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী এ দেশের মানুষদের তিন বেলা খাইয়েছেন, জায়গা দিয়েছেন। ভারত আমাদের সাথে মানবিক আচরণ করেছিলেন।
সাংসদ বাদশা আরও বলেন, বন্ধুত্বের হাত ঘাড়েই থাকে, কখনো পিঠে যায়না। বিভিন্ন সময়ে দেশে উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে এগিয়ে এসেছে ভারত। সেই ধারাবাহিকতাই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশ দুটি রাষ্ট্র। কিন্তু ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস সবই এক।

রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকানী হাই কমিশনার শ্রী অভিজিৎ চট্টপাধ্যায় এর সভাপতিত্বে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের দ্বিতীয় সচিব শ্রী একে মিশ্র, রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি ড. আ. মান্নান।
এ সময় রাজশাহী ভারতীয় হাই কমিশন ২৬৬ জন মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের স্কলারশিপ প্রদান করে। ২৪ হাজার ও ১০ হাজার টাকারদুই ক্যাটাগরিতে চেক প্রদান করা হয়।