ভান্ডারিয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতি

পিরোজপুর প্রতিনিধি: | বুধবার, মে ১৬, ২০১৮
ভান্ডারিয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতি

পবিত্র মাহে রমযান আগমনের ফলে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যজিনিসের দাম রাতারাতি বেড়ে এখন আকাশ ছোঁয়া। এমন লাগামহীনদ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বতিতে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।

গতকাল বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে যে পিয়াজ বিক্রি হতো ২০-২২ দরে তাএখন প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেরে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩২ টাকায়। রসুনের কেজি ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা আধার কেজি ৬০-৭০ টাকা থেকে দিগুন বেড়েবিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা।  চিনির কেজি  ৫৪ টাকা থেকে বেড়ে ৫৮-৬০ টাকায়,মুসরি ডাল ১১০ থেকে -১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে পাশাপাশি বেড়েছে মসলার দামও। এছাড়াও কাচা ঝাল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেরে ৭০-৮০ টাকা, বেগুন ২০-২৫ টাকা থেকে ৪০-৫০ টাকা, আালু ১৫-১৬ থেকে ২০-২২ টাকা, গরুর গোস্ত ৪২০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা,খাসি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ  ১৮০০-১৯০০টাকা থেকে বেড়ে  বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা দরে।ইলিশের দামপ্রতি কেজিতে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা বেড়েছে, এছাড়া দেশীয় প্রজাতিমাছের ব্যাপক সংকট

রয়েছে,বৃদ্ধি পেয়েছে চাল, আটা,ময়দা ও কাচা বাজারে দাম অনেকটাই, এ কারনে গরীব-দুস্থসহ মধ্যবিত্তদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে ফলে সংসার চালাতে দারুনভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ একটি অসাধু সিন্ডিকেটের কারনে  নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারের দাম বাড়ছে ফলে তার প্রভাব জণগনের উপর পরছে।

ভান্ডারিয়া পৌর শহরে বাজার করতে আসা প্রভাষক বশিরআহমেদ জানান, পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে বাজারে এসেছিলামনিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও  ইফতারীর উপকরণ কিনতে কিন্তু বাড়ি থেকে যে পরিমান টাকা এনেছিলাম তাতে বাজারের অর্ধেকও হয়নি। উপজেলার লক্ষিপুরা গ্রামের রিক্সা চালক ইলিয়াস জানান, তরিতরকারি ও জিনিস পত্রের যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।

ভান্ডারিয়া পৌরসভা ব্যাবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান  বলেন কোন কুচক্রি মহল পবিত্ররমজান মাসে কৃত্তিম সংকট তৈরিকরে ফায়দা লুটতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের সতর্ক করেছি এবং উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি । উপজেলা নির্বহী অফিসার শাহীন আক্তার সুমিজানান, শিগ্রই উর্ধ্বগতিরোধেসার্বক্ষনিক একটি ভ্রাম্যমান টিম কাজ করবে এবং কোন অসাধু ব্যাবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।