বদলগাছীতে স্বপ্ন পিকনিক কর্ণার তৈরী করছে শিল্পপতি সোহেল চৌধুরী

প্রতিনিধি বদলগাছী | রবিবার, মে ২০, ২০১৮
বদলগাছীতে স্বপ্ন পিকনিক কর্ণার তৈরী করছে শিল্পপতি সোহেল চৌধুরী



নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার নিভৃত পল্লী কোলা ইউপির ঝাড়ঘড়িয়া গ্রামে স্বপ্ন পিকনিক কর্ণার তৈরী করছে ঢাকায় বসবাসরত ও একটি বে-সরকারী টিভি চ্যানেলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সোহেল চৌধুরী।

 আর এই ঝাড়ঘরিয়া গ্রামেরটি বদলগাছী উপজেলা ও আক্কেলপুর উপজেলার সংযোগ সড়ক পার্শ্বে। এই সড়কের উত্তর পার্শ্বে ৮ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ১টি বাগান। বাগানে চাষ করা হয়েছে নানা প্রজাতির ফলদ গাছ এবং বাগানের মধ্যে খনন করা হয়েছে ৩টি পুকুর। বাগানে গাছ আর পুকুরে মাছ, দেখলে মনে হয় এ যেন সুন্দয্যের এক লীলা ভূমি।

এই দুই উপজেলার গ্রামের মানুষেরা আনন্দ বিনোদনের জন্য ভ্রমনে যায় শহরে।
আবার শহরের মানুষেরা ব্যস্ততম জীবন থেকে কিছুটা প্রশান্তির জন্য লোকজনরা স্বপ্ন পিকনিক কর্ণারে সস্থির জন্য আসেন। সেখানে গ্রামের খোলামেলা পরিবেশে পরিবার পরিজন নিয়ে মনোমুগ্ধকর এই পিকনিক স্পর্ট যেন ক্রমেই আকর্ষনীয় হয়ে উঠছে।
 সরেজমিনে গিয়ে দেখে ও শুনে জানাযায়, নওগাঁ জেলার পতœীতলা উপজেলার খিরসিন গ্রামের এ্যাডঃ সুলতান মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে শিল্পপতি সোহেল চৌধুরী একদিন অবসর সময়ে পরিবার পরিজন নিয়ে হঠাৎ করে বদলগাছী উপজেলার ঝাড়ঘরিয়া গ্রামের ওই বাগান বাড়িতে আসেন।

তিনি বাগানবাড়ী ও পুকুর দেখে মুগ্ধ হয়ে তা ক্রয় করেন। এর আগে মাছ চাষের জন্য ঐ পুকুরগুলি লিজ দেওয়া হত। জমি ক্রয় করার পর সোহেল চৌধুরী লিজ বাতিল করে নিজেই মাছ চাষ শুরু করেন। তার ইচ্ছে পুকুরের মাছ বড় করবেন যেন পুরোনু ঐতিহ্য ফিরে আসে। পুকুরের বড় বড় রুই, কাতলা, মৃগেল সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ যেন আগত অথিতি সহ এলাকাবাসীকে মুগ্ধ করে। স্বপ্ন পিকনিক কর্ণারের ৮ একর জমির উপর গড়ে তোলা এই বাগানে রয়েছে ২১৩টি আমগাছ, ৪৬টি চায়না-৩ লিচু, ২৩টি বেদেনা, ২০০টি মেহগনি, ১০০টি নারিকেল, ৪০০ টি সুপারি, ৬১টি ড্রাগন ফল, ৫৪টি মালটা, ১০টি দারুচিনি, ৭৫টি এলাচ, ৩ প্রকারের বাঁশঝাড় ও কমলালেবু, লটকন ও জামরুল সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
 বাগানের পাশে পুকুরের উপর তৈরী করা হয়েছে একটি ডাকবাংলো। মাঝে মধ্যে সোহেল চৌধুরী ঢকায় যান্ত্রিক জীবন থেকে প্রশান্তি খুঁজতে ছুটে আসেন পরিবার পরিজন নিয়ে ওই বাগান বাড়িতে।
সোহেল চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানান, এখানে পিকনিক কর্ণার তৈরী করার ইচ্ছে রয়েছে। আর পিকনিক কর্ণার তৈরী সম্পূর্ন করতে পারলে এলাকার অনেক বেকার যুবকদের এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। স্থানটি দর্শনীয় করতে প্রয়োজনে আরও জায়গা বাড়ানো হবে এবং দ্রুত সুন্ধর্য্য বৃদ্ধি করতে কাজ এগিয়ে চলবে। আর এটি দেখে এলাকাবাসী সহ জেলা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ একটু শান্তির জন্য যেন এখানে ছুঁটে আসেন।