সংঘর্ষে প্রাণ গেল আ.লীগ নেতা পুত্রের

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | শুক্রবার, জুন ১, ২০১৮
সংঘর্ষে প্রাণ গেল আ.লীগ নেতা পুত্রের

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ছয়টার দিকে উপজেলার নরপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,  সরিষাবাড়ী উপজেলার নরপাড়া গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর হোসেনের সাথে একই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন মেলেটারি, ডা. নজরুল ইসলাম, ফরিদ হোসেন, ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদ বাংলার বাবু, সুজাত আলী সুরু, বাপ্পী, মিল্টন, ওমর, অরিফ, খালেদ সারিয়াকান্দি থেকে বালু এনে নুর হোসেনের জমিতে রাখা নিয়ে  বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার পিংনা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাবেক সাংসদ ডা. মুরাদ হাসানের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে যাওয়ার সময় পিংনা জামে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে নূর হোসেনের ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর হোসেন, তার পুত্র গোলাম মোস্তফা, রোজিনা আক্তার, আনেছা, আওয়াল হোসেন, ইসনাহার আহত হয়। আহতদের সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিহত জাহিদুর রহমানকে পেটে বল্লমের আঘাতের ফলে গুরুতর আহতবস্থায় ভয়াপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে রাত আটটার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নিহত জাহিদ সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের নরপাড়া গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে নিহত জাহিদের পিতা ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর হোসেন জানান, তার ছেলেকে তোফাজ্জল হোসেন মেলেটারি, ফরিদ হোসেন, ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদসহ তার লোকজন মেরে ফেলেছে। তিনি এর সুষ্ঠু বিচার চান।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি রেজাউল ইসলাম খান বলেন, বালু রাখা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জাহিদ নামে একজন নিহত হয়েছেন। জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের জন্য অভিযান চলছে। এছাড়াও আরো কোনো অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।