ছাতকে লাফার্জহোলসিমের স্বাস্থ্যসেবায় শিশু মৃত্যুহার কমে আসছে

ছাতক প্রতিনিধি, | বৃহস্পতিবার, জুন ২৮, ২০১৮
ছাতকে লাফার্জহোলসিমের স্বাস্থ্যসেবায় শিশু মৃত্যুহার কমে আসছে

ছাতকে লাফার্জ-হোলসিমের স্বাস্থ্য সেবায় গর্ভকালীন শিশু মৃত্যুহার কমেছে।উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়ন ও ছাতক পৌরসভা এবং দোয়ারা উপজেলার অবহেলিত চারটি ইউনিয়ন পরিষদের মাতৃত্বজনিত ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে । তৃণমূল পর্যায়ে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও ঔষধ থাকায় এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে বলে দাবী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাড়িতে সন্তান প্রসবের প্রবণতা কমায় এ অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের পরিচালিত স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের চিকিৎসক জনাব নাহিদুর রহমান জনি। খুব বেশী দিনের কথা নয়, গর্ভকালীন স্বাস্থ্য সেবা নিতে এই গ্রামগুলোর মানুষকে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিতে হতো। এতে অর্থের অপচয়ের সাথে ভোগান্তিও পোহাতে হতো প্রসূতি নারীদের। ফলে অনেকের জন্যই গর্ভকালীন নিয়মিত চেকআপ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো সম্ভব হতো না। এতে করে ঘটতো মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর ঘটনা। বর্তমান চিত্র একবারেই ভিন্ন।

বাড়ির কাছেই রয়েছে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।আশেপাশের ১৫টি গ্রামের ২৩ হাজার জনসংখ্যা মানুষ পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা। লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের  উদ্যোগে বেসরকারি ভাবে তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায়  ৭টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সুফল পাচ্ছেন এসব এলাকার মানুষ।

বিশেষ সেবা পাচ্ছেন গর্ভবতী নারীরা। আর এতেই পাল্টে গেছে চিত্র কমতে শুরু করেছে মাতৃজনিত ও শিশু  মৃত্যুর হার।স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের তথ্য মতে, সরকারের পাশাপাশি লাফার্জহোলসিম সিমেন্ট কারখানার নানামুখী উদ্যোগ ও এসব এলাকায় তাদের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত স্বাস্থ্য সেবার কারণে মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। এতে সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি কমেছে গর্ভকালীন মৃত্যু। বিশেষজ্ঞরা জানান, গর্ভবতীর নিয়মিত চেকআপ এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সন্তান প্রসব করলে মাতৃজনিত মৃত্যুর হার আরো কমানো সম্ভব হবে।
এই এলাকায় লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের সহযোগিতায় শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৫১হাজার ৩ শ' ৩জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।