দেওয়ানগঞ্জ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত প্লাবিত

ওসমান হারুনী,জামালপুর | শুক্রবার, জুলাই ৬, ২০১৮

দেওয়ানগঞ্জ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত প্লাবিত

উজান  থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিন ধরে জামালপুর যমুনা পানি বৃদ্ধি পওয়ায় ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় 

নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হুহুকরে জামালপুরে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে শাখা নদ গুলি দিয়ে প্রবেশ করছে বিস্তীর্ণ জনপদে। পানির ঢলে দেখা দিয়েছে বসতবাড়ী ও রাস্তাঘাট ভাঙ্গন,তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট। বন্যার পানি উঠায় বন্ধ হয়ে গেছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান। গত ৪৮ ঘন্টার ব্যবধানে যমুনার পানি ঢলে ইসলামপুরের চিনাডুলি, বলিয়াদহ, ডেবরাইপ্যাচ ও দেওয়ানগঞ্জের  খোলাবাড়ী, নয়া গ্রাম ও বরখাল গ্রামের অনেক এলাকার ঘরবাড়ি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও ইসলামপুরের সাপধরী, নোয়ারপাড়া, চিনাডুলী, বেলগাছা ও কুলকান্দি ইউনিয়নের চরাঞ্চল এলাকার 

নিন্মাঞ্চল  প্লাবিত হয়ে ফসলী জমি ও রাস্তাঘাটে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।ইসলামপুর ডেবরাইপেচ এলাকার ১০টি পরিবারসহ দুই উপজেলার প্রায় ২০টি পরিবার সবকিছু হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। পানির প্রচন্ড ¯্রােতে ইসলামপুর উপজেলার ডেবরাইপ্যাচ ব্রীজের দুই পাশের অ্যাপ্রোচ ধ্বসে ও রাস্তা ভেঙ্গে দক্ষিণ চিনাডুলী গ্রামের সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যমুনা পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যমুনা তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষদের মাঝে বন্যা আতঙ্ক বিরাজ করছে। বন্যা ভাঙ্গন কবলিত তোতা মিয়া, শাহজাহাদা, লালমিয়া, রেজাউলসহ ইসলামপুর ডেবরাইপেচ এলাকার ক্ষতি গ্রস্তরা জানান,“হঠাৎ করে বন্যার পানি ঢলে পানির ঢলে আমাদের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে, খোলা আকাশের নিচে আছি, না খেয়ে আছি, খুুব কষ্টে আছি।

” ইসলামপুরের চিনাডুলি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুঠো ফোনে জানান, যমুনা নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী রাস্তা ভেঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিমাঞ্চলের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলী জমি ও রাস্তাঘাটে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। দেওয়াগঞ্জের চিকাজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুজ্জামান সেলিম খান বলেন, হঠাৎ  যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতো খোলাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ খোলাবাড়ী ও বরখাল গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সবকিছু হারিয়ে অসহায় পরিবারগুলো রেল লাইনের পাশে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। এব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, যমুনা নদী পানি বৃদ্ধি পাওয়া 

নিন্মাঞ্চলপ্লাবিত  হয়েছে। উপজেলার বলিয়াদহ, ডেবরাইপেচ এলাকা পানি ঢলে ভাঙন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণসহায়তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এছাড়াও বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষকে অবহিত করেছি।