চোরাই গাছ জব্দ করায় বিজিবি ও বন বিভাগের কর্মকর্তার মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা

জাহিদুল হক মনির | শুক্রবার, জুলাই ২৭, ২০১৮
চোরাই গাছ জব্দ করায়  বিজিবি ও বন বিভাগের কর্মকর্তার মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ে চোরাই গাছ জব্দ করাকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও বন বিভাগের দুই কর্মকর্তার মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরে দুই বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আপস করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গজনী বিটের গান্ধিগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বন বিভাগ, বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার গভীর রাতে কে বা কারা গারো পাহাড়ের গজনী বিটের গান্ধীগাঁও এলাকায়য় চুরি করে গাছ কেটে তা বনের ভিতরে ফেলে রাখে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে  বিজিবি, নকশী সীমান্ত ফাঁড়ির সদস্যরা নিয়মিত টহল দেওয়াকালে  চোরাইভাবে কাটা গাছ পড়ে থাকতে দেখেন।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা সেসব চোরাই গাছ জব্দ করে নকশী সীমান্ত ফাঁড়িতে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। সংবাদ পেয়ে বন বিভাগের গজনী বিটের বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুর রফিক ঘটনাস্থলে এসে বিজিবি সদস্যদের গাছ জব্দ করতে বাধা দেন। এ সময় নকশী সীমান্ত ফাঁড়ির হাবিলদার মো. জামালের সঙ্গে বিট কর্মকর্তা রফিকের প্রথমে বাগ্বিত-া ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বিজিবির উত্তেজিত সদস্যরা বিট কর্মকর্তা রফিককে আটক করে নকশী সীমান্ত ফাঁড়িতে নিয়ে যান

পরে সংবাদ পেয়ে ময়মনসিংহ থেকে বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আনিসুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় বন সংরক্ষক প্রাণতোষ কুমার রায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ নকশী সীমান্ত ফাঁড়িতে যান। সেখানে তারা বিজিবি ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে সংগঠিত অপ্রীতিকর ঘটনাটি আপস-মীমাংসার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করেন। পরে উভয়পক্ষ বিষয়টি আপস করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও রুবেল মাহমুদ বলেন, একটি বিষয় নিয়ে বিজিবি ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান হয়েছে।    অপরদিকে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় বন সংরক্ষক প্রাণতোষ কুমার রায় বলেন, দুই বিভাগের মধ্যে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে।