আ.লীগ কার্যালয়ে হামলায় দুই মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, আগস্ট ৭, ২০১৮
আ.লীগ কার্যালয়ে হামলায় দুই মামলা
গুজব ছড়িয়ে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। এতে আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতদের কথা বলা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থানায় মামলা দুটি করা হয় দলের পক্ষ থেকে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘৪ ও ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা করছি।’

এ সময় বিপ্লব বড়ুয়ার সঙ্গে ধানমন্ডি থানায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক  শ ম রেজাউল করিম ও কার্যনির্বাহী সদস্য সংসদ সদস্য রেমন্ড আরেং।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনের সময় শনিবার ফেসবুকে সাক্ষাৎকারের মতো করে এবং ফেসবুক লাইভে এসে ছড়িয়ে দেয়া হয় আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে চারজন ছাত্রকে হত্যা এবং চারটি মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এই গুজব ছড়িয়ে পড়ার সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইউনিফর্ম ছাড়া অন্য তরুণরাও লাঠিশোঠা নিয়ে হামলার চেষ্টা করে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে।

এ সময় পাথরের টুকরোও ছোড়া হয় যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, শিক্ষার্থী হলে তাদের ব্যাগে পাথর থাকার কথা না, থাকার কথা বই।

সেদিন বিকালে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও এই ঘটনায় শিক্ষার্থী নয়, দায়ী করেন বিএনপি-জামায়াতকে। বলেন, শিক্ষার্থীদের পোশাক পরে এসেছিল তারাই।

এর পরদিনও কার্যালয়ের পেছন থেকে হামলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছে ক্ষমতাসীন দল।

গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে রাজধানীর স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা ব্যাপকভাবে রাস্তা আটকে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়।

আন্দোলন প্রলম্বিত হতে থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে ‘মতলবি মহলের’ অনুপ্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। আর বছরের এই সময় স্কুলড্রেসের কোনো চাহিদা না থাকার কথা থাকলেও হঠাৎ তুঙ্গে উঠে এই চাহিদা। ব্যাপকভাবে বানানো হতে থাকে আইডি কার্ড।

এর মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যেতে তাকে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশে গেছে অছাত্ররা। আর এ সময় গুজবও ছড়ানো হয় পরিকল্পিত করে।

জানতে চাইলে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছেন। একটি মামলায় অজ্ঞাত ৫০০ থেকে ৫৫০ এবং আরেকটি মামলায় ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নাম উল্লেখ না থাকলে আসামি কীভাবে শনাক্ত হবে-জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আশপাশের সিসি ফুটেজ দেখে মামলার আসামিদের চিহিৃত করা হবে।’

গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে রাজধানীর স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা ব্যাপকভাবে রাস্তা আটকে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়।

আন্দোলন প্রলম্বিত হতে থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে ‘মতলবি মহলের’ অনুপ্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। আর বছরের এই সময় স্কুলড্রেসের কোনো চাহিদা না থাকার কথা থাকলেও হঠাৎ তুঙ্গে উঠে এই চাহিদা। ব্যাপকভাবে বানানো হতে থাকে আইডি কার্ড।

এর মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যেতে তাকে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশে গেছে অছাত্ররা। আর এ সময় গুজবও ছড়ানো হয় পরিকল্পিত করে।