মানবতায় আবেদনে সাড়া দিয়েছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম

মোঃ খায়রুল আলম রফিক | মঙ্গলবার, আগস্ট ১৪, ২০১৮
মানবতায় আবেদনে সাড়া দিয়েছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম
পুলিশের মানবিক মুখ দেখেছেন ময়মনসিংহের সদ্য বিদায়ী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলামের বিপিএম (বার) পিপিএম’র মাঝে। মানুষের মানবতায় আবেদনে সাড়া দিয়েছেন বলে সদ্য বিদায়ী এই এসপির ভুমিকাকে প্রশংসা করছেন ময়মনসিংহবাসী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও বরেণ্য সৈয়দ নুরুল ইসলাম। 

সম্ভ্রাট শের শাহের নামানুসারে শিবগঞ্জের পূর্বনাম ছিল শেরগঞ্জ। শিবগঞ্জের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম সৈয়দ নুরুল ইসলামের। মা ও বাবার অনুপ্রেরণা ও আত্মত্যাগের কারণেই আজ তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা। ময়মনসিংহ তার নিজ জেলা এমনকি যেখানে তিনি কর্মরত থেকেছেন, সেখানেই ফরজ মনে করে তার জন্য দোয়া করা হয়। সেখানেই পাথেয় হয়েছেন তিনি সবার জন্য। স্বাস্থ্য সেবাই হচ্ছে মানবতার পরম ধর্ম। সৈয়দ নুরুল ইসলাম ৪০ জন পঙ্গু ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসার্থে ব্যয়ভার গ্রহন করেছেন। তিনি ১৮০জন অসহায় মানুষকে নিজ খরচে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। মঙ্গলবার ময়মনসিংহ থেকে বিদায় নিয়েছেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ খ্যাত পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম। নন্দিত এ পুলিশ কর্মকর্তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কুমিল্লার সুপার শাহ আবিদ হোসেন। পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম ২০১৬ সালে ময়মনসিংহে যোগদান করেন।

যোগদানের পর থেকেই মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতা দেখান। ময়মনসিংহে যোগাদানের আগে তিনি নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুুপার ছিলেন। জানা যায়, ২০ তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা ২০০৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মিশনে ছিলেন। ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে মানবিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করেন। ময়মনসিংহের দীর্ঘ এলাকা পুলিশ মিডিয়া সেন্টারের মাধ্যমে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। ঐ সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে ঈদ এমনকি নিত্যদিন শূন্যের কোঠায় এখন চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সকল অপরাধ। সারাদেশে জঙ্গী বিরোধ অভিযানকালে শীর্ষ জঙ্গি ময়মনসিংহ শহরের কালিবাড়ি ও ভালুকা থেকে যথাক্রমে ৭ জন ও ৩জনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশসহ সারাদেশে সাহসীকতার নিদর্শন স্থাপন করেন।

এছাড়াও গত ঈদে দুস্থ ও অসহায়দেও মাঝে ১১ হাজার শাড়ি, ৫ হাজার লুঙ্গি এবং শিশুদের জন্য ৪ হাজার জামা-কাপড় বিতরণ, ময়মনসিংহে শতাধিক এতিম শিশুর পড়াশোনার ব্যবস্থা করা, আর্থিক সহরযাগীতা, প্রতিবন্ধী ও এতিম শিশুদের সাথে শুক্রবার সময় কাটানো তাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া। শতাধিক এতিম শিশুর পড়শোনার ব্যবস্থা কথা দায়িত্ব নেয়া, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের অসহায় সাবজান বিবির বেদখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার করে ঘর নির্মাণ, ত্রিশালে নিরীহ মুক্তিযোদ্ধার জমি উদ্ধার, শহরের কৃষ্টপুরে ৩জন প্রতিবন্ধীর ২ বছর ধরে চিকিৎসা সুবিধা দিয়েছেন। যারা আজ অনেকটাই সুস্থ। জনকল্যাণে এরকম অনেক কর্মকা- সৈয়দ নুরুল ইসলামকে দিয়েছে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ উপাধি। তার মানবিক কর্মকা- নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনেক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ময়মনসিংহ থেকে বিদায় দিলেও এই এসপিকে কখনও ভুলতে পারবেন না ময়মনসিংহবাসী। ময়মনসিংহের পুলিশের ইতিহাসে তিনি স্বর্ণাক্ষরে থাকবেন। তিনি কুমিল্লা জেলায় বদলী হলেও তাকে বহুদিন মনে রাখবে ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দারা। ময়মনসিংহে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে তিনি ছিলেন অপরাধীদের কাছে বড় এক আতংকের নাম। এমনকি সরকারি দলের সন্ত্রাসী, মাস্তানরাও তার ভয়ে সবসময় তটস্থ থাকত। এছাড়া তার সময়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের বিশেষ সাফল্য ছিল চোখে পড়ার মতো।

‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ শ্লোগানের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। পুলিশী কর্মজীবনের শত ব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও কত যে কী করার আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। একজন সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে ভিন্নতায় অনন্য হয়ে উঠে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ ও মাদক বাণিজ্যসহ সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলে তার সাহসী ভূমিকা নজর কাড়ে বাংলাদেশ পুলিশেরও। অসংখ্য ইতিবাচক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি হয়েছেন ময়মনসিংহের আইকন। দেড় শতাধিক অসুস্থ অসহায় মানুষকে নিজের বেতনের টাকায় চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগীতা, দেড় শতাধিক এতিম অসহায়কে আর্থিক সহযোগীতা ছাড়াও পড়ালেখার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে গেছেন তিনি। এমনকি নিজ জেলা চাপাইনবাগঞ্জের ৪ শতাধিক দরিদ্র, অসহায় মানুষকে ময়মনসিংস্থ নিজের কর্মস্থলে এনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়েছেন তিনি। এছাড়াও পুলিশের ও অসহায় পরিবারের রোগীদের জরুরি রক্তের প্রয়োজনে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম ব্যক্তি উদ্যোগে রক্ত দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

রক্তদাতাকে প্রেরণা দিতে এই পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত খরচে দেওয়া হয়েছে নানা প্রণোদনা পুরস্কার। দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের মুমূর্ষ রোগীদের জীবন বাঁচাতে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এক অনকরণীয়, অনুসরনীয় দৃষ্টান্ত সৈয়দ নুরুল ইসলাম। দরিদ্র, অসহায় এবং নির্যাতিত নারীদের ভোগান্তি লাঘবেও কাজ করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। সৈয়দ নুরুল ইসলামের অনুপ্রেরনায় নির্যাতনের শৃঙ্খল ছিঁড়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহের বিভিন্ন গ্রামের অনেক দরিদ্র অসহায় নারী। দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। মাদকবিরোধী কর্মকান্ডে মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান নিয়ে ময়মনসিংহে অবিরাম কাজ করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। জেলার ১৪ টি থানা সদর এমনকি ইউনিয়নগুলির পাড়া-মহল্লায়, গ্রামেগঞ্জে, স্কুল-কলেজে কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালিয়েছে সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ। ময়মনসিংহের প্রায় প্রতিটি বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিংসহ সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে গেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতেও কাজ করেছেন এই কর্মকর্তা।

শুধু মানবিক গুণাবলির দিক দিয়েই নয়, পেশাগত দক্ষতায়ও তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেক দূর। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছানো, হতদরিদ্র অসহায় নারীদের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুলে স্কুলে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা তথা জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি রেখেছেন বিশেষ ভূমিকা। নারায়াণগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ এসে যোগদানের পর থেকেই এ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তিনি শক্ত হাতে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব করে গড়ে তুলেন। তিনি পুলিশি সেবা এক রকম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হন। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণে তার অর্জিত সাফল্য পুরো পুলিশ বাহিনীর মুখ উজ্জ্বল করে। তার একক তৎপরতায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য ময়মনসিংহ জেলা একটি রোলমডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিদায়ী এসপির বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনেকে ময়মনসিংহ প্রতিদিনের কাছে এমন মন্তব্য করেন। ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকেই এ জেলার দায়িত্বে থাকাবস্থায় তিনি শক্ত হাতে এখানকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন। তিনি অপরাধী গ্রেফতারে জেলাজুড়ে একের পর এক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। এরফলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সাফল্য অর্জিত হয়। প্রায় সকল কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করায় তার এ অভিযান জনমনে প্রশংসিত হয়। তবে তার এ সাফল্যের পেছনে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, তিনি আইনশৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণী-পেশার লোকজনকে একত্রিত করে পরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করতেন’।

তার নেতৃত্বে পরিচালিত হয় জেলাব্যাপী মাদকবিরোধী যৌথ সাঁড়াশি অভিযান। ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা , হেরোইন , হাজার হাজার লিটার মদ উদ্ধার করেন তিনি। একই সঙ্গে অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়। এর ফলে জেলা মাদকমুক্ত হতে থাকে। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। বড় মাপের অপরাধী গ্রেফতার করায় জনমনে তার ইমেজ ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। আর এতে করেই সন্ত্রাসী, মাস্তান, চাঁদাবাজ ও বখাটেদের ভিত কেঁপে ওঠে। এর ফলে জেলাবাসী স্বস্তিতে থাকেন । তার মত সাহসী এসপি প্রতিটি জেলায় থাকা প্রয়োজন বলে জানান জেলাবাসী। এছাড়াও এই কর্মকর্তা পুলিশ সুপারের সাহেব কোয়াটারস্থ বাংলোর উন্নয়ন করেছেন। এখন বাংলাটি শৈল্পিক সোভা ছড়াচ্ছে। সার্বিকভাবে জেলা পুলিশের সকল কর্মকান্ডে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। শত ব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও কত যে কী করার আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। একজন সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে ভিন্নতায় অনন্য এখন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ ময়মনসিংহ কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের আয়োজনে থানা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা।

সেখানে দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে পত্রিকাটির সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক এসপি নুরুল ইসলামের হাতে তুলে দেন ময়মনসিংহে এই এসপির কর্মকালীন সময়ে তার নামে প্রকাশিত পেপারকাটিং (অ্যালবাম) স্মরনিকা। এসপির সকল বিদায়ী অনুষ্ঠানে সকেলেই কেঁদেছেন। এসব বিদায়ী অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর নানা কাজের প্রশংসা করেন। ফেসবুকে নিজের ওয়ালে অনেকে লিখিছেন মানুষের সেবা করেছেন এই মহান মানুষটি। অবিরাম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং শুভকামনা করা হয়েছে এই মহান মানুষটির জন্য। তারা বলেছেন, আমরা চাইলেই এই সমাজ তথা দেশকে বদলে দিতে পারি। আমরা চাইলেই একটা পরিবর্তন আনতে পারি। যে পরিবর্তনের শুরুটা করে দিয়ে গেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। লিখেছেন অনেক পুলিশ কর্মকর্তাও। তারা লিখেছেন, আমাদের স্যার পুলিশের পেশাগত মানোন্নয়নে সার্বিক কাজ করেছেন।

ময়মনসিংহে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন তিনি। সাংবাদিক সমাজসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর ছিল সখ্যতা। পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম গত বছর পুলিশ সপ্তাহে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পেয়েছেন। সব মিলিয়ে পেশাগত জীবনে তার অর্জনের খাতাটা ভারী বৈকি! আর এত সব অর্জনের পেছনে পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থন-সহযোগিতা সবই পেয়েছেন। সৈয়দ নুরুল ইসলাম একজন মানুষকে ভালোবাসেন এমন মানুষ। মানুষকে মন থেকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন অবসরে কবিতা লিখতে ও ভালোবাসেন মনের সুখে বাঁশি বাজাতে।