পূর্বধলায় শেষ মুহুর্তের কোরবানির পশুর হাট জমজমাট

মোঃ এমদাদুল ইসলাম, পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: | সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮
পূর্বধলায় শেষ মুহুর্তের কোরবানির পশুর হাট জমজমাট

নেত্রকোনার পূর্বধলায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে শেষ মুহুর্তের জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। পূর্বধলা সদর, হোগলা, জারিয়া বাজারে দূরদুরান্ত থেকে নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা দেশি বিভিন্ন জাতের গরু ও ছাগল।
এবার উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে পূর্বধলায় ২৩টি অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটের অনুমোদন দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন। ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত ২৩টি হাটবাজারে বৈধ্যভাবে পশু ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

পশুর হাটগুলো হলো পূর্বধলা সদর, শ্যামগঞ্জ, হোগলা, শিমুলকান্দি, হাটখলা, ঘাগড়া, জামধলা, জারিয়া, বাড়িয়ল, নারায়নডহর, আগিয়া, জালশুকা, ত্রিমুহনী, মৌদাম, খলিশাউড় খা পাড়া, ইচুলিয়া, ফাজিলপুর, মাতাং, ভুগিজাওয়ানী, মেঘশিমুল নতুন বাজার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নমিতা দে জানান, উপজেলা পরিষদ থেকে আগ্রহীরা নিয়ম মেনে অস্থায়ী পশুর হাটের বৈধ্য ইজারা নিয়েছেন। কোনো প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ইজারা বাতিল করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ড. মোঃ এনামুল হক বলেন, ভেটেরিনারী মেডিকেল টিম বাজারে বাজারে উপস্থিত হয়ে মনিটর্রিং ও প্রাণি স্বাস্থ্য সেবা, ক্ষতিকর রাসায়নিক/স্টেরয়েড (হরমোন) ব্যবহার করে মোটতাজাকরণ গরু চিহিৃতকরণ এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, হাটে হঠাৎ গরু অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা সেবা প্রদান, ক্রেতা-বিক্রেতার অনুরোধে গর্ভ যাচাই ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ সেবা টিমের মাধ্যমে প্রদান করে যাচ্ছি।

 
তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত পশুর হাটগুলোতে কোন অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত গরু-ছাগল পাওয়া যায়নি। প্রচুর দেশি-বিদেশি প্রজাতির গরুর সমাগম হয়েছে হাটগুলোতে। ভেটেরিনারী মেডিকেল টিম পরিচালিত হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতাগণ উভয় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
বিগত বছরের তুলনায় গরুর দাম সহনীয় মাত্রায় রয়েছে এ কারণে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় খুশি। এ বছর ছোট ও মাঝারি আকারের গরু চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর দাম কম। ছাগল ও খাসির দাম গত বছরের তুলনায় বেশি লক্ষ করা যায়। এতে খামারী ও ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
বিদেশি গরু বাজারে কম সংখ্যক এবং তার চাহিদাও অনেক কম। চাহিদা মত গরু ক্রেতারা কিনতে পারায় সবাই খুশি। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫০-৭০ হাজার মূল্যে গরু ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বেশি। গরু বিক্রেতা আদম আলী জানান, এবার গরু বিক্রয় করে প্রয়োজনীয় দাম পেয়েছি।