জাতীয় ঐক্যের নামে সহিংসতা হলে কঠিন জবাব দেয়া হবে- সেতুমন্ত্রী

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক) | শুক্রবার, আগস্ট ৩১, ২০১৮
জাতীয় ঐক্যের নামে সহিংসতা হলে কঠিন জবাব দেয়া হবে-  সেতুমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি যদি জাতীয় ঐক্যের নামে, আন্দোলনের নামে আবারও সহিংসতার দিকে পা বাড়ায় তাহলে দেশের জনগণকে নিয়ে আমরা কঠিনভাবে সমুচিত জবাব দেব। বিএনপি নেতাদের সংশ্লিষ্ট যারা আজকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে যারা দেশে একটা অস্থিতিশীল নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চান তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বাংলাদেশে ২০১৪ ও ২০০১ সাল আর ফিরে আসবে না।

৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের সড়ক পরিস্থিতি দেখতে এসে ভোগড়া বাইপাস মোড়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সরকার দেশ চালাবে। সংবিধানের বাইরে আমরা কোথায় অবস্থান নিয়েছি সেটা তাদের পরিষ্কার করে বলতে হবে। নির্বাচন হবে সেটা সংবিধানের মধ্য দিয়ে। তারা আন্দোলন করবে কেন আমি জানি না। এ মুহূর্তে আন্দোলনের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। দেশে একটা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সামনে নির্বাচন। জনগণ নির্বাচন মুডে আছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে যদি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে তাহলে আমাদের হাতে দুই মাসের মতো সময় আছে। এখন যারা হেরে যাওয়ার আশঙ্কায়, নির্বাচন থেকে সরে আসার নানা অজুহাত খুঁজে বেড়াচ্ছে তাদের ব্যাপার আলাদা। তারা মনে করেছে ২০১৪ সালের মতো দেশে একটা সহিংসতা তৈরি করবে।

কিন্তু সে সহিংস আন্দোলনও তাদের কিছু দেইনি। বরং তারা জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। জনগণের কোনো সাড়া তারা গত ৯ বছরে পায়নি। ২০১৪ সাল থেকে গত চার বছরেও বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি। কারণ মানুষ মনে করে বিএনপির আন্দোলন মানেই হচ্ছে আগুন সন্ত্রাস। যে কারণে তারা এখন নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন বলেও যদি আন্দোলনের ডাক দেয় গত চার বছরে দেখলাম একটা ডাকেও জনগণ সাড়া দেয়নি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বয়কটের পর পাবলিক তাদের ডাকে সাড়া না দেয়ার অর্থই হচ্ছে জনগণ নির্বাচিত সরকারকে সমর্থন করে এবং নির্বাচিত সরকারের উন্নয়ন অর্জন জনগণকে খুশি করেছে। শেখ হাসিনা সৎ, পরিশ্রমী নেতৃত্ব জনগণ আস্থায় নিয়েছে। যে কারণে বিএনপির আন্দোলনে জনগণের কোনো সায় নেই।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকপ্লের প্রকল্প পরিচালক সানাউল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ঢাকা জোন) মোঃ আব্দুস সবুর, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার সহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।

পরে মন্ত্রী সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হন।