ইউএনও বললেন, বাসে তাকে উত্ত্যক্ত করার যে খবর এসেছে গণমাধ্যমে, সেটি ভুল

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, জুলাই ৮, ২০১৯
ইউএনও বললেন, বাসে তাকে উত্ত্যক্ত করার যে খবর এসেছে গণমাধ্যমে, সেটি ভুল
নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা খানম জানিয়েছেন, বাসে তাকে উত্ত্যক্ত করার যে খবর এসেছে গণমাধ্যমে, সেটি ভুল। তাকে কেউ হয়রানি করেনি।

ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে যুবককে কারাদণ্ড দেওয়ার কারণ হিসেবে নিজের নয়, অন্য যাত্রীদের সমস্যা ছিল বলেও অপরাধ সংবাদকে বলেছেন এই সরকারি কর্মকর্তা।

দুর্গাপুর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, রবিবার  বিকালে ঢাকা থেকে বিআরটিসি বাসে কর্মস্থল দুর্গাপুরে আসছিলেন ইউএনও।

পথে  শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের শ্যামগঞ্জ মোড় থেকে ওই বখাটে যুবক বাসটিতে উঠেন। বাসে উঠার পর থেকেই যুবকটি ইউএনও ফারজানা খানমকে নানাভাবে উত্যক্ত করছিলেন। বখাটেপনা না করতে ইউএনও ওই যুবকটিকে নিষেধ করেন। বাসের হেলপারও শিমুলকে নিষেধ করেন। কিন্তু শিমুল তাতে কর্ণপাত না করে  উত্যক্ত করতে থাকেন। পরে ইউএনও বিষয়টি থানায় জানালে বাসটি দুর্গাপুর বাসট্যান্ডে  থামার পর শিমুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত শিমুলকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায়।

তবে ইউএনও ঘটনার দিয়েছেন ভিন্ন ব্যাখ্যা। অপরাধ সংবাদকে  তিনি বলেন, ‘ঢাকায় থেকে রবিববার বিকালে বিআরটিসির বাসে করে কর্মস্থল দুর্গাপুরে আসছিলাম। পথে শ্যামগঞ্জ মোড় থেকে এক তরুণ বাসে ওঠেন (শিমুল শেখ)। কিছুক্ষণ পর বাসের এক সহকারীর সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয় ও পরে মারধর করে। বাসের অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে বাজে আচরণ করে ওই তরুণ।’

‘তখন আমার মনে হয়েছে বিষয়টি ভ্রামামাণ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই আমি তাদের বিষয়টি জানাই। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই তরুণকে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়।'

‘বিষয়টি কত বড় হয়ে গেল। আসলে এমন কোন ঘটনা হয় নি। আমাকে কেউ উত্যক্ত করে নি। ’

দণ্ডিত যুবকের নাম শিমুল শেখ। তিনি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বারআনি গ্রামের মাহতাব শেখের ছেলে।