নারীদের ৭টি গোপন ইচ্ছা

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | শনিবার, আগস্ট ৩১, ২০১৯
নারীদের ৭টি গোপন ইচ্ছা
রত্যেক মানুষেরই কিছু গোপন ইচ্ছা থাকে। কিন্তু সব ইচ্ছার কথাই কি সবাই প্রকাশ করে দেন? একদম কিন্তু নয়।

বিশেষ করে নারীরা এই কাজে বিশেষ পটু। তাই যুগ যুগ ধরে পুরুষেরা বলেই আসছে- নারীর মন বোঝা একেবারেই কঠিন কাজ।

কারণ এমন অনেক কিছুই আছে, যেটা একজন নারী গোপনে গোপনে আকাঙ্ক্ষা করেন। অথচ মুখে বলেন সম্পূর্ণ উল্টো কথা। চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন ১০ টি গোপন ইচ্ছার কথা-


আর্থিকভাবে সচ্ছল পুরুষকে বিয়ে করা

এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, প্রত্যেক নারীই আর্থিকভাবে সচ্ছল কোনও পুরুষকে বিয়ে করতে চান। নারীদের একটা বড় অংশই চান, স্বামী পুরুষটি হোক ধনী।

শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে নারাজ

বেশিরভাগ নারীই মনে মনে চান যে, বিয়ের পর তার নিজের সংসার হবে। আর তাই তারা শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে থাকতে নারাজ। কিন্তু এটা তারা মুখে স্বীকার করেন না মোটেও।

পুরুষটি তার সব কথা শুনুক

পৃথিবীর প্রত্যেকটি নারী চান, পছন্দের পুরুষটি তার সব কথা শুনুক, তাকে ছাড়া কিছু চিন্তা করতে না পারুক।

বান্ধবীদের মাঝে আকর্ষণীয় হয়ে উঠা

বান্ধবীদের মাঝে সবচাইতে সুন্দরী ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে চান সব নারী। আর এটা অবশ্যই মনে মনে।

বয়স নিয়ে…

প্রায় প্রত্যেক নারী চান যে, তার চেহায়ার বয়সের ছাপ কখনো না পড়ুক।

সুন্দর ফিগারের অধিকারী হতে চান

মুখে যতই বলুন যে ওজন নিয়ে মাথা ঘামান না। কিন্তু স্লিম ও সুন্দর ফিগারের অধিকারী হতে চান সব নারী।

ঈর্ষাকাতর

ঈর্ষা কাতর হওয়ার প্রবণতা কিন্তু নারীদের মাঝে মারাত্মক বেশি। অন্য মেয়েদের জীবনের অর্জন দেখে মনে মনে সেটা চান প্রায় সব নারীই।

বাঙ্গালী নারীর যে ১০ টি অসাধারণ গুন,যা পৃথিবীর অন্য কোন নারীদের মধ্য খুঁজে পাওয়া মুশকিল !

বাঙ্গালী নারীর যে ১০ টি অসাধারণ গুন,যা পৃথিবীর অন্য কোন নারীদের মধ্য খুঁজে পাওয়া মুশকিল !

বাঙালি নারীদের নিয়ে কত কথাই না হয়। কারো মতে, বাঙ্গালী নারীর রান্না, বায়না আর কান্না এই তিনটি কাজ ছাড়া আর কিছুই করতে পারেন না।

আবার কেউ কেউ বলেন, বাঙালি নারী হচ্ছে লাজুক ঘোমটা টানা কাজল দেয়া নারী। বাঙালি নারীদের যারা খুব কাছ থেকে দেখেছেন তাদের কাছে কথাটি মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। মমতাময়ী বাঙালি নারীরা নিজের আদর, ভালোবাসা দিয়ে খুব সহজে জয় করে নিতে পারেন মানুষের মন। বাঙালি নারীর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

উৎসবপ্রেমী

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন। নববর্ষ, ঈদ কিংবা দুর্গা পূজা – সব উৎসবই যেন বাঙালি নারীর জন্য তৈরি। প্রতিটি উৎসবের সঙ্গে মানানসই পোশাক পরতে এবং সেই উৎসবের উপযুক্ত রান্নায় পারদর্শী তাঁরা। ডয়চে ভেলের পাঠক সুজন খানের কথায়, বঙ্গের নারী লাজুক প্রকৃতির, কিন্তু যেকোনো উপলক্ষেই প্রাণ খোলা হাসি উপচে পড়ে তাঁদের।

শাড়িতে সবচেয়ে সুন্দর

বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শাড়ি। সেই শাড়ি বাঙালি নারীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে চমৎকারভাবে। বিভিন্নভাবে শাড়ি পরতে জানেনও তাঁরা। আর উপহার হিসেবে শাড়ি? কোন বাঙালি মেয়ে না চায় বলুন?

ভ্রমণপ্রিয়

বাংলাদেশি কিংবা ভারতীয় বাঙালি নারীর গুণ কি আর অল্পতে জানানো যায়, বলুন? কিছু গুণ না হয় অজানাই থাক। তবে একটির কথা বলে শেষ করি, বাঙালি মেয়েরা কিন্তু ঘুরতে খুব ভালোবাসেন।

আবেগী, স্বাধীনচেতা

গরবিনি, আবেগী এবং স্বাধীনচেতা, বাঙালি নারীর সঙ্গে এই তিনটি বিশেষণই মানানসই। আবেগ যেমন তাঁদের দ্রুত স্পর্শ করে, তেমনি স্বাধীনতার প্রশ্নে কিন্তু তাঁরা সত্যিকার অর্থে অনড়। নিজের সত্ত্বা নিয়ে অহংকার তাঁদের আছে বটে, তবে তার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের মধ্যে রয়েছে অসীম ধৈর্য।

রান্নার শখ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথাই ধরুন। দেশ সামলানোর কঠিন দায়িত্ব পালনের মাঝেও রান্না ঘরে যেতে ভোলেন না তিনি। গত বছর ছেলের জন্য রান্না করার সময় তোলা তাঁর এই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছিল। বাঙালি মেয়েরা রাঁধতে যে ভীষণ ভালোবাসেন!

অল্পতেই সন্তুষ্ট

বাঙালি মেয়েদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা কি খুব কঠিন? না। সকলেই জানেন যে, কাজটা সহজই। একটি লাল গোলাপ পেলে কিংবা প্রিয় রেস্তোরাঁয় নিয়ে গেলেই তাঁরা সন্তুষ্ট। ডয়চে ভেলের পাঠক রনজু খালেদের মতে, বাঙালি নারীর মধ্যে একই সাথে দৃঢ়তা ও নমনীয়তা এবং প্রজাপতির চপলতা রয়েছে।

কাজল কালো চোখ

জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেন কিংবা রবিঠাকুরের কৃষ্ণকলি- বাঙালি নারীর কাজল কালো চোখের প্রশংসা পাবেন অনেক কবির কবিতাতেই। সত্যি বলতে কি, বাঙালি নারীর চোখ পুরুষকে টানে সবচেয়ে বেশি।

বাকপটু

বাংলাদেশের কিংবা ভারতের মেয়েরা চুপ করে বসে আছেন- এমন দৃশ্য কল্পনা করাও কঠিন। তাঁরা কথা বলতে ভালোবাসেন। রান্না থেকে রাজনীতি- সব বিষয়েই একটা মতামত আছে তাঁদের। ডয়চে ভেলের পাঠক জি এন এস নয়নের কথায়, নারী পুরুষের যেকোনো কষ্ট অতি সহজে ভুলিয়ে দিতে পারে। এই গুণই আমাকে মুগ্ধ করে, আবার সাথে অবাকও করে।

নারীবাদী

বাঙালি মেয়েরা নারীবাদী। বিতর্কিত বাঙালি লেখিকা তসলিমা নাসরিন তাঁদের অনেকেরই প্রিয়। নাসরিনের আমার মেয়েবেলা পড়েনি এমন নারী পাওয়া মুশকিল

নো ডায়েট

বাঙালি নারী ডায়েট করছেন, এমনটা বেশ বিরল। তাই খাওয়ার ব্যাপারে তাঁরা বেশ উদার। কথায় বলে না, মাছে-ভাতে বাঙালি? অবশ্য মাছ-ভাতের পাশাপাশি ফুসকা কিংবা চটপটি পেলে তো আর কথাই নেই। আসলে টক, ঝাল, নোনতা, মিষ্টি, এমনকি তেতোও পছন্দ এই নারীদের।