ঝগড়া মেটানোর ৬ উপায়

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯
ঝগড়া মেটানোর ৬ উপায়
জীবনের শুরু থেকে কেও কোনদিন পারিবারিক ঝগড়ার কবলে পড়েননি এমন কথা কেও হলফ করে বলতে পারবে না। ঝগড়া বা বিবাদ একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এই পারিবারিক ঝগড়া-বিবাদ থেকে নিষ্কৃতি পাবেন কিভাবে জেনে নিন।

সম্পর্ক যতো মধুর হবে ততই কথা কাটাকাটি ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকবে এটি একদম স্বাভাবিক নিয়ম। এই পারিবারিক সমস্যাগুলো যতো তাড়াতাড়ি মেটানো যায় ততই মঙ্গলজনক। কারণ এটি এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়ে থাকে। তাই এটিকে ধরে বসে থাকরে ক্রমেই খারাপের দিকে যাবে। তাই আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

অনেকেই আছে ঝগড়া-বিবাদ করে বুকের ভেতর অভিমান জমিয়ে রেখে কষ্ট পেতে থাকেন। আর এভাবেই দূরত্বের সৃষ্টি হতে থাকে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের। সে কারণে ঝগড়ার পর সম্পর্ক আবার নতুন করে মধুরতায় ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করতে হবে দুজনকেই। এতে করে দুজনের প্রতি স্রদ্ধাও বাড়বে অপরদিকে সম্পর্কও হবে দীর্ঘস্থায়ী। আসুন জেনে নেই, কিভাবে ঝগড়া মিটিয়ে নেয়া যায়:

চাওয়াপাওয়া

দুইজন মানুষ যেমন আলাদা, তেমনি তাঁদের চাওয়া-পাওয়াও আলাদা৷ কাজেই একজন মানুষ যখন তাঁর চাওয়া অনুযায়ী তাঁর সঙ্গী, স্বামী বা স্ত্রী’র কাছ থেকে তা না পায়, তখনই শুরু হয় দ্বন্দ্ব৷ অর্থাৎ, চাওয়া আর পাওয়ার মধ্যে ব্যবধানের কারণেই দ্বন্দ্বের সৃষ্টি৷

কথা বলার প্রস্তুতি নিন

যে বিষয়গুলো দুইজনের মধ্যে মেলে না, সেরকম প্রশ্ন প্রথমে লিখে নিন৷ জানতে চান কার কী বক্তব্য বা সে বা আপনি একে অপরের কাছ থেকে কী আশা করেন ? নিজের প্রত্যাশার কথা ভেবে রাখুন৷

অভিযোগ

আজকের যান্ত্রিক জীবনে একটি ‘কমন’ কথা যে ‘‘তুমি আমাকে কখনো সময় দাও না৷’’ এই কথাটি ‘না’ বলে বরং বলুন, ‘‘আমি তোমাকে ‘মিস’ করি৷’’ তাছাড়া নিজে সব কথা না বলে বরং সঙ্গীর কথা শুনুন, তাঁকে বলার সুযোগ দিন৷

সমাধান খুঁজুন

ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন সহনশীলতা ও আপোশ৷ তাছাড়া প্রতিটি মানুষেরই ভুল-ত্রুটি রয়েছে৷ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য খুঁজে বের করুন আপনার কোন ব্যবহার আপনার ভালোবাসার মানুষটির পছন্দ নয় বা কী তাঁকে কষ্ট দেয়৷ আর তা শুধুমাত্র কথা বলে বা আলোচনার মধ্য দিয়ে খুঁজে বের করা সম্ভব৷

ক্ষমা করুন

পুরনো ঝগড়া টেনে না এনে বরং ক্ষমা করে দিন৷ ভালোবাসার সম্পর্কে একে অপরকে ‘ক্ষমা’ করার মনোভাব খুবই ‘জরুরি’৷ এমনকি সে সম্পর্ক বহুদিনের বিবাহিত জীবন হলেও৷ একে অপরকে জড়িয়ে ধরুন কিংবা কোথাও ঘুরতে যান, যা এক্ষেত্রে খুবই উপকারী৷

নতুন প্ল্যান করুন

দুইজনের সম্পর্কের মধ্য যদি বেসিক জিনিসগুলো মিলে যায়, অর্থাৎ, অর্থ এবং চরিত্র– তাহলে জীবনে সুখী হতে তেমন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়৷ তাই ছোটখাটো বিষয়ে করা ঝগড়াকে বড় করে না দেখে আগামীদিনের জন্য প্ল্যান করুন৷ তথ্যগুলো জানিয়েছেন পরিবার বিষয়ক পরামর্শদাতা ও লেখক উরজুল ভার্ওয়ারজিনেক৷