হবিগঞ্জ প্রেমিকার সাথে বিশেষ মুহুর্তে প্রেমিক ধরাশায়ী

স্টাফ রিপোর্টার | শনিবার, মার্চ ২৮, ২০১৫
হবিগঞ্জ প্রেমিকার সাথে বিশেষ মুহুর্তে প্রেমিক ধরাশায়ী

নবীগঞ্জে মোবাইল প্রেমের সূত্র ধরে আউশকান্দি কলেজের ছাত্রী জেরিন বেগমের সাথে অন-রঙ্গ মূহুর্তে ধরাশায়ী হন মাসুক মিয়া নামের জনৈক যুবক। পুলিশের কাছে আটকের পর অবশেষে বিয়ের নাটক নিয়ে পুরো উপজেলায় শুরু হয়েছে রসালো সমালেচনার ঝড়।

সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের জালালসাফ গ্রামের নয়া বাড়ির পোষ্ট মাষ্টার শহিদুল ইসলাম জিতু মিয়ার কলেজ পড়ুয়া যুবতী মেয়ে হোসাইন রহমান জেরিন বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে মিসকলের সূত্র ধরে পরিচয় হয় হবিগঞ্জ বগলা বাজার এলাকার তজমুল মিয়ার পুত্র মাসুক মিয়ার সাথে। দীর্ঘদিন প্রেমালাপের পর তাদের মাঝে গড়ে উঠে অনৈতিক সম্পর্ক।

অবশেষে গভীর প্রেমের টানে প্রেমিক যুগল গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তবুও গোপনে চলতে থাকে তাদের প্রেমলীলা। প্রতিনিয়তই জনৈক মাসুক মিয়া প্রেমিকা জেরিন বেগমের সাথে রাতের আধারে দেখা করতে আসে। এমনকি বহুবার তাদের মধ্যে গড়ে উঠে শারিরিক সম্পর্কও। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রেমিকা জেরিন বেগমের সাথে দেখা করে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্তায় তার পরিবারের লোকজন ওই অপরিচিত ছেলেকে ঘরে দেখে গোপলার বাজার পুলিশ ফাড়িতে সোপর্দ করে।

এ নিয়ে এলাকা জুড়ে চলতে থাকে নানা রসালো সমালেচনার ঝড়। প্রেমিক মাসুক মিয়া পুলিশের খাচায় বন্দি হওয়ার সংবাদ পেয়ে পরদিন সকালে তার মা, ভাই সহ অন্যান্য লোকজন গোপলাব বাজার পুলিশ ফাড়িতে এসে জেরিন বেগম মাসুক মিয়ার বৈধ স্ত্রী দাবী করে তাদের কাবিন নামা দেখান। ফলে ফাস হয়ে যায় প্রেমিক যুগলের গোপন বিয়ের সংবাদ। পরে  মুরুব্বিয়ানদের সহায়তায় উভয় পক্ষ মেয়ের বাড়িতে এক সমঝোতা বৈঠক করে ছেলে মেয়েকে শরিয়া মোতাবেক ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন মোহর দিয়ে আবারো তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। উক্ত সমঝোতা বৈঠকে এলাকার মুরুব্বিয়ানগন উপস্তিত ছিলেন বলে জানা যায়। মোবাইল ফোনে মিস কলের সূত্র ধরে প্রেম, কোর্ট ম্যারেজ, প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে ধরাশায়ী অতঃপর আবারো বিয়ের ঘটনায় পুরো উপজেলা জুড়ে শুরু হয়ে রসালো সমালোচনার ঝড়। প্রেমিকা জেরিন আউশকান্দি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ও প্রেমিক মাসুক মিয়া শচীন্দ্র কলেজের সাবেক ছাত্র বলে জানান এলাকার লোকজন।

অপরাধ সংবাদ/ম/স/উ/রুমি