হবিগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষন ও হত্যার চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার | সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০১৫
  হবিগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষন ও হত্যার চেষ্টা
নবীগঞ্জ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের বাংলা বাজারস্থ উত্তর এনাতাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী (৮)কে শিরণী খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ধর্ষন ও হত্যার চেষ্টা করেছে এক লম্পট। গতকাল শুক্রবার বিকেলে কুর্শি ইউনিয়নের বাংলাবাজারে এঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত মোঃ আলম (৩৫) নামের যুবককে জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। সে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার শাহারপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র। লম্পট আলমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামের মোঃ সইদুর রহমান বাংলাবাজারের নিকটবর্তী হাওড় এলাকায় বসবাস করেন। গতকাল বিকেলে একই গ্রামের আকবর খানের গৃহকর্মী এবং সইদুর রহমানের শিশু কন্যা স্থানীয় উত্তর এনাতাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনির ছাত্রীকে (৮) কে শিরণী খাওয়ানোর কথা বলে হাওড়ের ফিশারীর একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে আলম তাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এ সময় আলমের স্ত্রী চলে আসায় শিশুটির মুখে কাপড় দিয়ে চেপে ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখে। ধর্ষনে ব্যার্থ হয়ে লম্পট আলম শিশুটিকে হত্যা করে লাশ গুমের পরিকল্পনা করে। সংগ্রহ করে গর্ত করার জন্য কোদাল। এ সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আলমের স্ত্রী ঘরে প্রবেশ করে শিশুটিকে ছেড়ে দেয়। শিশুটি বাড়ি এসে পরিবারের লোকজনের নিকট ঘটনার বর্ণনা দেয়। এ সময় লোকজন ঘটনাস্থল ফিশারীর দিকে গেলে লম্পট আলম দৌড়ে পালানোর সময় তাকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ ও থানার ওসি মোঃ লিয়াকত আলী রাত পৌনে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় জনতার উপস্থিতিতে লম্পট আলম পুলিশের নিকট ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আলম ও তাঁর সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে শিশুর পিতা মোঃ সইদুর রহমান নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, আমার কিশোরী ভাতিজীকে ধর্ষন ও খুনের পরিকল্পনায় গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এ ঘটনায় সহায়তাকারী হিসেবে গৃহকর্তা আকবর খাঁনের দুই পুত্রকে আসামী করা হয়েছে বলে সুত্রে জানাগেছে। এ ব্যাপারে সাগর খাঁন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও সাজানো ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেন সাগর ও দুলাল খাঁন।
ওসি মোঃ লিয়াকত আলী বলেন, অভিযুক্তদের বিষয়ে তদন্ত করে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে